ওয়ানডে ক্রিকেটের চেয়ে টি-২০ ফরম্যাটে কেন বেশি বিনোদনের ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের প্রথম টি-২০ ম্যাচে প্রমাণ করলো। ইংল্যান্ডের ঝড়ো ব্যাটিং করেছে। বিশাল রান তাড়ায় প্রোটিয়ারা পাল্টা দিয়েছে। দুইশ’ ছোঁয়া রান করেও দক্ষিণ আফ্রিকা হেরেছে ৪১ রানের বড় ব্যবধানে। 

ব্রিস্টলে টস হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নামে স্বাগতিক ইংল্যান্ড। ওপেনার জেসন রয় ১৫ বলে ৮ রান করে ফিরে যান। তার আগে জস বাটলার আউট হন ৭ বলে দুই চার ও দুই ছক্কায় ২২ রান করে। পরেই অগ্নি মূর্তি ধারণ করে ইংল্যান্ড। 

তিনে নেমে ডেভিড ম্যালান ২৩ বলে চারটি ছক্কা ও এক চারে ৪৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। আগুন ঝরানো ব্যাটিং করেন জনি বেয়ারস্টো। তার ব্যাট থেকে আসে ৫৩ বলে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯০ রানের ইনিংস। আটটি ছক্কা ও তিনটি চার দেখান এই ইংলিশ ব্যাটার। স্পিন অলরাউন্ডার মঈন আলীর ব্যাট থেকে আসে ১৮ বলে ছয়টি চার ও দুটি ছক্কায় ৫২ রানের ইনিংস। 

জবাব দিতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা নিয়মিত উইকেট হারালেও ধীরে ব্যাটিং করেনি। ওপেনার রেজা হেনরিকস ৩৩ বলে ৫৭ রানের ইনিংস খেলেন। নয়টি চার ও একটি ছক্কা তোলেন তিনি। হেনরিক ক্লাসেন খেলেন ১৪ বলে ২০ রানের ইনিংস। দলের পক্ষে সেরা ইনিংস খেলেন ২১ বছর বয়সী ট্রিস্টান স্টাবস। তিনি ২৮ বলে আটটি ছক্কা ও দুই চারে ৭২ রান করেন। তিনি আরেকটু খেলতে পারলে এবং ১৭ বলে ২২ রান করা আন্দালি ফেলুকাও কার্যকরী ইনিংস খেলতে পারলে ঘুরে যেতে পারতো ম্যাচের মোড়। 

ইংল্যান্ডের এই বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের মধ্যেও লুঙ্গি এনগিডি দারুণ বোলিং করেছেন। ছয় ইংলিশ ব্যাটারের মধ্যে তিনি একাই তুলে নেন পাঁচ উইকেট। চার ওভারে ৩৯ রান দেন তিনি। কাগিসু রাবাদা এবং কেশব মাহরাজ ভালো বোলিং করেন। তারা ৪ ওভারে যথাক্রমে ৩০ ও ৩১ রান দেন। তবে ৪ ওভারে ৬৩ রান দিয়ে লাগাম ছেড়ে দেন আন্দালি ফেলুকাও। ইংল্যান্ডের হয়ে ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন রিচি টপলে। আদিল রশিদ ২ ওভারে ১৭ রানে নেন ২ উইকেট।