জিম্বাবুয়ে থেকে টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন বলেছিলেন, মাহমুদউল্লাহকে খেলাতে চাননি কোচ। কার নির্দেশে শেষ টি২০ ম্যাচে খেলানো হয়েছে, তা অবশ্য প্রকাশ করেননি। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের নির্দেশে মিডলঅর্ডার এ ব্যাটারকে দলে নেওয়া হয়েছিল বলে গুঞ্জন রয়েছে। 

অথচ পাপন গতকাল সংবাদ সম্মেলনে জানান, মাহমুদউল্লাহকে নেওয়ার বিষয়টি শেষ মুহূর্তে জেনেছেন তিনি। বোর্ড সভাপতি বলেন, 'মাহমুদউল্লাহকে অধিনায়ক থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, দল থেকে বাদ দেওয়া হয়নি। তবে তাকে খেলানোর বিষয়ে আগে থেকে আমাকে বলা হয়নি। শেষ মুহূর্তে জানতে পেরেছি। আমি তো মনে করি দলে নেওয়ায় এক অর্থে ভালোই হয়েছে। তাকে যে বাদ দেওয়া হয়নি, সেটা সবাই জানতে পারল।'

বিসিবির টি২০ পরিকল্পনাতেই ছিলেন না মাহমুদউল্লাহ। বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল বিসিবি সভাপতিকে। সে কারণেই তাকে শেষ টি২০ ম্যাচে সুযোগ দিয়ে বিতর্ক থামাতে চেষ্টা করা হয়। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিদ্ধান্তটা বিসিবির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকেই গেছে টিম ম্যানেজমেন্টে। কোচ রাসেল ডমিঙ্গোরও হাত ছিল তাতে। কিন্তু মিডলঅর্ডারে ব্যাট করতে নেমে ২৭ বলে ২৭ রান করে নিজেকে টি২০-এর জন্য ফিট প্রমাণ করতে পারেননি ৩৬ বছর বয়সী এ ব্যাটার। এখন তাকে এশিয়া কাপ এবং বিশ্বকাপের দলে রাখা না হলে বেশি কিছু বলার থাকবে না সমালোচকদের।