শুরুটা এগিয়ে নিতে পারেননি ওপেনার তামিম ইকবাল। টপ অর্ডারে এনামুল হক-নাজমুল শান্ত, মিডলে মুশফিক সেট হয়েও রান করতে পারেননি। ওই চাপে ব্যাটিংয়ে ধুঁকছিলেন মাহমুদউল্লাহ। তবে শেষ পর্যন্ত তিনিই দারুণ ফিনিশিং দিয়েছেন। তার ব্যাটে ভর করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে ৯ উইকেটে ২৯০ রানের সংগ্রহ পেয়েছে বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচেও টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে এক প্রান্তে ঝড়ো শুরু করেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ১১ ওভারে দল ৭১ রানের সংগ্রহ পায়। এর মধ্যে ৪৫ বলে ৫০ রান করে সাজঘরে ফেরেন বাঁ-হাতি ব্যাটার। খেলেন ১০টি চার ও এক ছক্কার শট। ৪৬ রানই বাউন্ডারি থেকে আদায় করেন তিনি। 

তামিমের পরেই সাজঘরে ফেরেন লিটনের ইনজুরিতে ওপেনিংয়ে নামা এনামুল হক। আগের ম্যাচে তিনে নেমে ফিফটি করা ব্যাটার এই ম্যাচে খেলেন ২৫ বলে ২০ রানের ইনিংস। ছয় রানের ব্যবধানে দুই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তৃতীয় উইকেটে ৫০ রান যোগ করেন তিনে নামা নাজমুল শান্ত এবং চারে নামা মুশফিক। ওই জুটি ভাঙে মুশি ৩১ বলে ২৫ করে আউট হলে। 

ওই ধাক্কা শান্তর ওপর চাপ হয়ে আসে। জিম্বাবুয়ের বোলারদের সামনে নড়বড়ে হয়ে পড়েন তিনি। এক পর্যায়ে মাধেভেরের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে খোঁচা দিয়ে ৫৫ বলে ৩৮ রানে আউট হন। ১২ ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটিই তার সর্বোচ্চ সংগ্রহ। ওই ধাক্কা ভালো মতো সামাল দেন আফিফ এবং মাহমুদউল্লাহ। 

অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ ধীরে ব্যাটিং করছিলেন। আফিফ দলের রান এগিয়ে নিচ্ছেলেন। কিন্তু তিনি ৪১ বলে চারটি চারে ৪১ রান করে আউট হন। বাংলাদেশ ওই জুটি থেকে পায় ৮১ রান। শেষে মেহেদি মিরাজ (১২ বলে ১৫), তাইজুল ইসলাম (৪ বলে ৬) সঙ্গ দিতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ। ৬৯ বলে ফিফটি করে হাত খোলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৮৪ বলে তিনটি চার ও তিন ছক্কায় ৮০ রান করে অপরাজিত থাকেন।

জিম্বাবুয়ের হয়ে দারুণ বোলিং করেছেন দুই স্পিনার সিকান্দার রাজা ও মাধেভেরে। অলরাউন্ডার রাজা ১০ ওভারে ৫৬ রান দিয়ে তুলে নেন গুরুত্বপূর্ণ তিন উইকেট। চারে ব্যাটিং করা মাধেভেরে ৯ ওভারে ৪০ রান দিয়ে দুই উইকেট নিয়েছেন। ওয়ানডে অভিষিক্ত ব্রাড ইভান্স ছিলেন খরুচে। তিনি ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়ার আগে ৭.৪ ওভারে ৬৪ রান দিয়ে উইকেট শূন্য থাকেন। পেসার ভিক্টর নায়োচি এবং তানাকা চিভাঙ্গা একটি করে উইকেট নেন।