বড় আশা করেই একের পর এক খেলোয়াড় কিনেছে বার্সা। ফ্রি পেলে তো কথাই নেই। হুমড়ি খেয়ে পড়ছে রীতিমতো। কিন্তু একাধিক খেলোয়াড় কিনে পড়তে হলো আরেক ঝামেলায়। যেখানে আগের মৌসুমের ধারদেনায় ডুবে থাকা ক্লাবটির আয় বাড়ানো ছাড়া কোনো উপায় ছিল না; সেখানে রবার্ট লেভানডস্কি, রাফিনহা ও কুন্দেকে কিনে ১৫০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করে ফেলে তারা। তাতে আরও সংকটে পড়ে বার্সা। সে জন্য কয়েক দফায় নিজেদের সম্পদ বিক্রি করে ৬০০ মিলিয়ন ইউরোর মতো জমা করেছে। তাতেও আর্থিক হিসাবে গরমিল। সর্বশেষ নিজেদের স্টুডিওর আরও ২৪.৫ শতাংশ বিক্রি করল। সেখান থেকে আয় ১০০ মিলিয়ন ইউরো। এসবের পেছনে মূল লক্ষ্য নতুন খেলোয়াড়দের নিবন্ধন করানো।

আজ রায়ো ভায়েকানো ম্যাচ দিয়ে লা লিগায় নতুন মিশন শুরু করবে বার্সা। তার আগে নিবন্ধনের অঙ্কটা মেলাতে পারবে কিনা কে জানে। সময়ও খুব একটা হাতে নেই। বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় ম্যাচ শুরু। বার্সাকে স্থানীয় সময় ৮টা ৫৫ মিনিটের মধ্যে সব ধরনের ডকুমেন্ট নিয়ে লা লিগার কাছ থেকে রেজিস্ট্রেশন করে আনতে হবে। যদি না পারে, তাহলে আর মাঠে নামা হবে না লেভা-রাফিনহাদের। সে জন্য রেজিস্ট্রেশনে থাকা খেলোয়াড়দের বেচে তারপর ওই পরিমাণ বেতন-ভাতার স্লট খালি করেই তবে নতুনদের নামভুক্ত করতে হবে।
যে প্রক্রিয়া আরও কঠিন।
পাঁচজন খেলোয়াড় এবার রিক্রুট করেছে বার্সা। যার মধ্যে দু'জন যদিও ফ্রি এজেন্ট। তাদের রেজিস্ট্রেশন না করলেও ক্ষতি নেই। কারণ চাইলে তাঁদের অন্যত্র পাঠিয়ে দিতে পারবে বার্সা। কিন্তু যে তিনজনকে ফি দিয়ে আনতে হয়েছে, তাদের নাম নিবন্ধন করাতে ব্যর্থ হলে বার্সা পড়বে আরও মহাসংকটে। যদিও বারবারই ক্লাবটির প্রেসিডেন্ট বলছেন, সময়ের আগেই কাজটা সেরে ফেলবেন তাঁরা। সে জন্যই হয়তো আরেক দফা সম্পত্তি বিক্রি। এবার সব মিলিয়ে ৮০০ মিলিয়ন ইউরো আয় দেখিয়ে খরচের খাতায় জের টানতে পারবে বলে বিশ্বাস বার্সা কর্তাদের। সেই সঙ্গে লা লিগাও নতুন তিনজনকে নিবন্ধনের অনুমতি দেবে। সবকিছু নিশ্চিত হয়ে যাবে আজ ভায়েকানো ম্যাচের পূর্বলগ্নে। কিংবা একাদশ ও সাইড বেঞ্চ দেখেও অনেকে অনুমান করতে পারবেন বার্সা কতটুকু সক্ষম হলো এই সংকট সমাধানে।