ফ্রান্সের বিশ্বকাপ জয়ী ডিফেন্ডার বেঞ্জামিন মেন্ডির বিরুদ্ধে আনিত এক রাতে তিন নারী সহ আট নারীকে ধর্ষণ এবং একজনকে নির্যাতনের অভিযোগ মামলার শুনানি চলছে। ওই শুনানিতে ভুক্তভোগী এক নারী পুলিশের কাছে ম্যানসিটির ২৮ বছর বয়সী ফুটবলার মেন্ডির ধর্ষণের ভয়ঙ্কর বর্ণনা দিয়েছেন। যা আদালতকে শোনানো হয়েছে। 

অভিযোগ শুনানিতে ভুক্তভোগী ওই নারী বলেছেন, মেন্ডির লকার রুম ছিল। যেটা আঙুলের ছাপ দিয়ে খোলা হতো। এছাড়া ভুক্তভোগী নারী শারীরিক সম্পর্কে মত না দিলে মেন্ডি তাকে বলেন যে, তিনি ১০ হাজার নারীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। এটা কোন ব্যপার না। 

ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ আনা ওই নারী বলেছেন, তাকে রুমে নিয়ে মেন্ডি পোশাক খোলার জন্য বলেন। তিনি রাজি না হওয়ায় জোর করতে থাকেন এবং বলেন যে, কেবল দেখবেন,  স্পর্শও করবো না। এরপর যেতে দেবেন।  

ওই নারী দাবি করেছেন, তিনি রাজি না হওয়ায় মেন্ডি কাছে এসে  ফোন কেড়ে নেন এবং বেডে ছুড়ে মারেন। তিনি ফোন নিতে গেলেই মেন্ডি তাকে চেপে ধরেন এবং নানান যৌন কর্মে বাধ্য করেন। বারবার না করার এক পর্যায়ে তাকে অল্পের জন্য ছেড়ে দেন এবং বলেন, ‘তুমি অনেক লাজুক। জানো, আমি ১০ হাজার নারীকে শয্যাসঙ্গী করেছি।’ 

পুলিককে দেওয়া অভিযোগ শুনানিতে আদালত শুনেছেন কীভাবে ওই নারী মেন্ডিকে চিনেছেন, ‘আমরা বারে যাওয়ার পরে বলা হয়েছিল, এর মধ্যে একজন ফুটবলার আছেন। আমি ফুটবল পছন্দ করি না। তাকে চিনতামও না। তবে তাকে বেন বলে ডাকা হচ্ছিল। আমার সামনের টেবিলেই ছিলেন ফুটবলার জেসে লিনগার্ড। আমি তাকে চিনতাম। কারণ আমার বোনের প্রেমিক জেসের ভক্ত ছিল। অন্য অনেকের সঙ্গে ছিলেন তিনি।’ 

মেন্ডি তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। শুনানি চলবে আরও চার মাস। আদালত মেন্ডির বন্ধু ম্যাথিউরিরও (৪১) শুনানি হবে। তার বন্ধুর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে যে, তিনি মেন্ডির এজেন্টে হয়ে বিভিন্নভাবে নারী সংগ্রহ করে মেন্ডির কাছে পাঠাতেন।