এশিয়া কাপের প্রথম দুই ম্যাচই হয়েছে দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান খেলবে শারজাহর ফ্রেশ উইকেটে। তবে অন্য দুই ম্যাচের মতোই টস গুরুত্বপূর্ণ হবে এই ম্যাচেও। 

সতেজ উইকেটের সুবিধা নিতে টস জয়ী অধিনায়ক শুরুতে বোলিং করার সিদ্ধান্তই নেবেন। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ছয়টায় (বাংলাদেশ সময় রাত আটটা) ম্যাচ হলেও গরম থাকবে। প্রথম ইনিংসে শিশিরের প্রভাব থাকবেনা বললেই চলে। শুরুতে বোলিং করা দল তাই সুবিধা পাবে। 

ওদিকে বাংলাদেশ দলের জন্য চ্যালেঞ্জ হবে শারজাহর বাউন্ডারি। দুবাইয়ের মতো বড় নয় মাঠ। পাওয়ার হিটিংয়ে অভ্যস্ত আফগান ব্যাটাররা ছোট মাঠ পেয়ে বড় শট খেলার জন্য মুখিয়ে থাকবেন এটা নিয়ে সন্দেহ নেই। স্পিনে খুবই শক্তিশালী হযরতুল্লাহ জাজাই কিংবা রহমানুল্লাহ গুরবাজ ছোট বাউন্ডারির সুবিধা নিতে চাইবেন। 

শাহজাহর মাঠ ছোট হলেও উইকেট আবার ধীর। স্পিনারদের জন্য আছে টার্ন। বাউন্ডারি ছোট হওয়ার সঙ্গে শট খেলার ঝুঁকি নেওয়াও তাই একেবারে সহজ হবে না। আফগানিস্তান ছোট মাঠ, ধীর ওই উইকেটে তিন স্পিনার রশিদ খান, মুজিব উর ও অধিনায়ক মোহাম্মদ নবীকে নিয়ে খেলবে। বাংলাদেশ তিন পেসারে বাজি ধরবে কিনা সেটাই থাকবে দেখার। 

শারজাহর উইকেট মোটামুটি ব্যাটিং বান্ধব। গত বছর টি-২০ বিশ্বকাপের ১১ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে এই মাঠে। শুরুতে ব্যাটিং করা দলের গড় রান ১৪৩। ডাচরা এখানে লঙ্কানদের বিপক্ষে ৪৪ রানে অলআউট হয়েছিল। বাংলাদেশ ১৭১ রান করে শ্রীলঙ্কার কাছে হেরেছিল। আফগানরা স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে করেছিল সর্বোচ্চ ১৯০ রান। এছাড়া স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে পাকিস্তান এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা ১৮৯ রান করে জয় পেয়েছিল।