বার্সায় থাকাকালে লিওনেল মেসিই ছিলেন মূল গোলমেশিন। দুই উইং কিংবা মাঝমাঠের সারথিরা মেসিকেই খুঁজে নিতেন প্রতিপক্ষ গোলমুখ থেকে। পিএসজিতে যাওয়ার পর বদলে গেছে প্রেক্ষাপট। মেসির পজিশন এখন নির্দিষ্ট নেই। কখনও উইংয়ে, কখনও অ্যাটাকিং মিডফিল্ড আবার কখনও সেন্টার ফরোয়ার্ডেও খেলতে দেখা যায় তাঁকে।

তাতে গোল করার চেয়ে গোল বানিয়ে দিতেই যেন স্বাছন্দ্যবোধ করেন আর্জেন্টাইন তারকা। এরই মধ্যে পিএসজির দ্রুততম অ্যাসিস্ট করা খেলোয়াড়ের তালিকায়ও নাম লিখিয়েছেন।

সর্বশেষ নঁতের বিপক্ষে ৩-০ গোলে জয় পায় পিএসজি। যে ম্যাচে জোড়া গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। অন্য গোলটি আসে নুনো মেন্ডিসের সৌজন্যে। তবে গোল না পেলেও এদিন জোড়া অ্যাসিস্ট করেন মেসি। দুই গোলই বানিয়ে দেন এমবাপ্পেকে। তাতেই ২০০৬-০৭ মৌসুমের পর লিগ ওয়ানে দ্রুততম কুড়িটি অ্যাসিস্টের দৌড়ে দুইয়ে উঠে এলেন মেসি।

যেখানে একে থাকা তাঁরই স্বদেশি সতীর্থদের ৩১ ম্যাচ লেগেছিল ২০টি অ্যাসিস্ট করতে। আর মেসির লেগেছে ৩২টি। তিনে আছেন নেইমার। প্রথম কুড়ি অ্যাসিস্ট করতে এই ব্রাজিলিয়ান তারকার লেগেছিল ৩৭ ম্যাচ।

গোলের পাল্লাটা অনেক ভারী মেসির। যা নিয়ে প্রায় সময়ই খবরের শিরোনাম হন তিনি। রেকর্ড ভাঙেন, রেকর্ড গড়েন। শুধু গোল নয়, গোল করিয়েও রেকর্ড গড়ছেন তিনি। যেমনটা পিএসজিতে গিয়ে করলেন। পুরো ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত ৩৭৫টি অ্যাসিস্ট করেছেন মেসি। যেখানে এই সময়কার আরেক বড় তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর অ্যাসিস্ট ২৬৩।

যদিও বরাবরের মতো মাঠে মেসির উদারতা নিয়ে কথা বলেন ফুটবলবোদ্ধারা। যেখানে ৩৭৫ অ্যাসিস্ট করতে মেসির লেগেছে ৯৮১ ম্যাচ। সেখানে রোনালদো ২৬৩ অ্যাসিস্ট করেছেন ১১২৭ ম্যাচ থেকে। বড় দুই তারকার অ্যাসিস্টের লড়াইয়েও দ্রুততম মেসি। প্রতিযোগিতার প্রসঙ্গ টানলে মেসি এখন পর্যন্ত তাঁর ক্যারিয়ারের সিংহভাগ অ্যাসিস্ট করেছেন স্প্যানিশ লা লিগায়।