মাঠের খেলাতেই শুধু ঘুরে দাঁড়ায়নি বার্সেলোনা, অর্থকড়িতেও লাভের মুখ দেখেছে ক্লাবটি। ২০২১-২২ মৌসুমে ৯ কোটি ৮০ লাখ ইউরো লাভ করেছে কাতালান ক্লাবটি। চলতি মৌসুমে আরও মোটা লাভের প্রত্যাশা করছে ক্লাবটি।

সেটি প্রায় ২৭ কোটি ১০ লাখ ইউরো হতে পারে বলেই তাদের আশা। অবশ্য বিশাল অঙ্কের ঋণের বোঝা এখনও পুরোপুরি লাঘব করতে পারেনি বার্সা।

গত সোমবার ক্লাবের ওয়েবসাইটে বার্সা কর্তৃপক্ষ জানায়, গত বছর রাজস্ব আয় হয়েছে ১ দশমিক শূন্য ১৭ বিলিয়ন ইউরো। করোনা মহামারি শুরুর পর এই প্রথম লাভের মুখ দেখল ক্লাবটি। গত মৌসুমে নিজেদের ঘরোয়া টিভিস্বত্বের ১০ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির পর বার্সা অ্যাকাউন্ট ফুলেফেঁপে ওঠে। ২০ কোটি ইউরোর এই চুক্তিটি হয় অর্থবছরের শেষ দিন, ৩০ জুন।

এরপর গত জুলাইয়ে ঘরোয়া টিভিস্বত্বের আরও ১৫ শতাংশ তারা ৩০ কোটি ইউরোর বিক্রি করে। এছাড়া বার্সার স্টুডিওর ২৪.৫ শতাংশ করে দুটি অংশ ২০ কোটি ইউরোয় বিক্রি করেছে বার্সা। এই দুটি চুক্তির কারণেই ২০২২-২৩ আর্থিক মৌসুমে আরও বেশি লাভের আশা করছে বার্সা। ক্লাবটির এসব আর্থিক হিসাব ২০২০-২১ মৌসুম থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রমাণ।

ওই মৌসুমে ৪০ কোটি ইউরো লোকসান হয়েছিল বার্সার। তখন লা লিগার বেঁধে দেওয়া খরচের সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ায় লিওনেল মেসির সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করতে পারেনি তারা। তাই বার্সা ছেড়ে পিএসজিতে পাড়ি জমিয়েছিলেন মেসি।

গত জানুয়ারিতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে শুরু করেছিল। বার্সার জন্য লা লিগার বেঁধে দেওয়া খরচের সীমা মাইনাস ১৪ কোটি ৪০ লাখ ইউরোতে নেমে এসেছিল। লিগের একমাত্র নেগেটিভ ক্যাপ ছিল তাদের। যদিও সম্পদ বিক্রি করে খরচের সীমা বাড়িয়ে নিয়েছিল তারা। অবশ্য এখনো খরচ কমানোর জন্য লা লিগা কর্তৃপক্ষ তাগাদা দিয়ে যাচ্ছে বার্সাকে। না হলে আগামী মৌসুমে আবার সমস্যায় পড়তে পারে তারা।