ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যাট হাতে উজ্জ্বল ছিলেন ফর্মের চূড়ায় থাকা মোহাম্মদ রিজওয়ান। ইংলিশ বোলারদের তুলোধুনা করে খেলেন ৬৭ বলে ৮৮ রানের ইনিংস। তবে রিজওয়ানের দিনে সব আলো কেড়ে নিলেন পেসার হ্যারিস রউফ। তার কার্যকরী বোলিংয়ে ইংল্যান্ডের মুঠোয় থাকা ম্যাচটি পাকিস্তান জিতে নেয় ৩ রানে।

জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য ছিল ১৬৭ রান। রান তাড়া করতে নেমে ইংলিশ ব্যাটারদের কেউ খুব একটা দাঁড়াতেই পারেনি। ১৪ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে বসে ইংলিশরা। ৮ রানে ফিল সল্ট, ৫ রানে অ্যালেক্স হেলস এবং উইল জ্যাকস আউট হয়ে যান কোনো রান না করেই।

বেন ডাকেট করেন ৩৩ রান, হ্যারি ব্রুক করেন ৩৪ রান। এরপর উইলি যখন ১০ বলে ১১ রান করে ফেরেন তখনো ইংলিশদের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২১ বলে ৩৭ রান। ৬ বলে ৬ রান নিয়ে ক্রিজে ডসন। তাকে সঙ্গ দিতে ক্রিজে নামেন আদিল রশিদ।

শেষ ৩ ওভারে ইংল্যান্ডের দরকার ৩৩ রান। অন্যদিকে পাকিস্তানের দরকার ছিল ৩ উইকেট। এমন সমীকরণে পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম বল তুলে দেন মোহাম্মদ হাসনাইনের হাতে। এরপর লিয়াম ডসন যা দেখালেন, তা কেবল একজন জাত ব্যাটারের পক্ষেই সম্ভব ছিল। হাসনাইনকে একের পর এক বাউন্ডারি ও ওভার বাউন্ডারি হাঁকাতে থাকেন ডসন। নো বলসহ প্রথম চার বলে তুলে নেন ২৩ রান। হাসনাইনের চার বলে মারেন এক ছক্কা ও ৩ চার।

তবে 'আনপ্রেডিক্টেবল' পাকিস্তানের ঝলক দেখানো তখনো বাকি ছিল। হ্যারিসের তোপে অবিশ্বাস্য কামব্যাক করলো পাকিস্তান। ১৯তম ওভারের তৃতীয় বলে ডসন মিড উইকেটে ক্যাচ দেন বদলি ফিল্ডার মোহাম্মদ হারিসের হাতে। ১৭ বলে তিনি করেন ৩৪ রান। এরপর অভিষিক্ত স্টোন হন বোল্ড। টপলি রানআউট হলে ১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ খুইয়ে ফেলে ইংলিশরা। আর তাতে ৩ রানের জয়ে মাঠ ছাড়ে পাকিস্তান।