সাকিব আল হাসানদের দল গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সকে হতাশ করে ফাইনালে উঠেছে জ্যামাইকা তালাওয়াশ। কোয়ালিফায়ারের দুই ম্যাচেই ব্যাটে-বলে পারফরম্যান্স দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন বাংলাদেশি তারকা সাকিব। অন্যদিকে ফাইনালে জ্যামাইকার সামারাহ ব্রুকস সেঞ্চুরি করে দলকে ফাইনালে তুলেছেন। 

টস জিতে বোলিংয়ে নামে সাকিবদের দল। পেসার রোমারিও সেইফার্ট দারুণ শুরু করেন। ওপেনার কেনার লুইস (০) ও ব্রেন্ডন কিংকে (৬) শুরুতে সাজঘরে ফেরেন। এরপর তিনে নামা ব্রুকস ও চারে নামা রোভম্যান পল ৫৫ রানের জুটি গড়েন। 

ওই জুটিতে রোভম্যানের অবদান ছিল ২৩ বলে তিন ছক্কা ও দুই চারে ৩৭ রান। এছাড়া রেমন রেইফার ২২ বলে ২২ রান করেন। স্লগে পাকিস্তানের বাঁ-হাতি স্পিন অলরাউন্ডার ইমাদ ওয়াসিম খেলেন ১৫ বলে চারটি চার ও তিন ছক্কায় ৪১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস।

তাদের ইনিংস জুড়েই ছিল ব্রুকসের প্রভাব। ৫২ বলে ১০৯ রানের হার না মানা বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি। আটটি ছক্কার সঙ্গে সাতটি চারের শট দেখান। জ্যামাইকা ৪ উইকেটে ২২৬ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায়। জবাব দিতে নেমে গায়ানা ৮ উইকেটে ১৮৯ রান তোলে। হেরে যায় ৩৭ রানে। 

গায়ানার কেমো পল ভালো ব্যাটিং করেন। তিনি পাঁচে নেমে ৩৭ বলে সাতটি চার ও এক ছক্কায় ৫৬ রান করেন। কিন্তু তার আগে ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ ১৬ বলে ২২, শেই হোপ ১৩ বলে ৩১ রান করেন। ব্যর্থ হন ওপেনার পল র্স্টালিং (২) এবং চারে নামা সাকিব। মিডলে সিমরান হেটমায়ার (১৫) প্রত্যাশা মেটাতে পারেননি। গুদাকেশ মতি ২২ এবং ওডেন স্মিথ ২৪ রান করে তাই দলের হারের ব্যবধান কমান কেবল। 

বল হাতে সাকিব ভালো করতে পারেননি। ৩ ওভারে ৩০ রান খরচ করে উইকেট শূন্য থাকেন। অবশ্য ৪ ওভারে ৬৪ রান দিয়ে ওডেন স্মিথ ভুলে যাওয়া ম্যাচ খেলেছেন। জ্যামাইকার হয়ে ইমাদ ওয়াসিম ও ক্রিস গ্রিন দুটি করে উইকেট নেন। ফাইনালে বারবাডোজের মুখোমুখি হবে জ্যামাইকা।