উয়েফা নেশনন্স লিগে কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জয় পায় ফ্রান্স। ওই জয়ের পর ফান্সম্যান বলেন, জাতীয় দলে খেলার সময় তিনি বেশি স্বাধীনতা পান। যে স্বাধীনতা তিনি পিএসজির হয়ে খেলার সময় পান না।

ওই ম্যাচে ফ্রান্স দলে ছিলেন অলিভিয়ের জিরু। তিনিও এক গোল করেন। গত বিশ্বকাপের আগে থেকে এমবাপ্পের সঙ্গে জিরুর রসায়ন বেশ ভালো। স্ট্রাইকার পজিশনে খেললেও এসি মিলান তারকা ডিপে নেমে যান এবং এমবাপ্পেকে ফলস নাইনে ঠেলে দেন। তার জন্য জায়গা তৈরি করেন। ফোর্থ স্ট্রাইকারের ভূমিকা পালন করেন জিরু।

পিএসজি’র স্কোয়াডে তেমন কেউ না থাকায় ওই স্বাধীনতা পাননা বলে দাবি এমবাপ্পের। ফ্রান্সের বিশ্বকাপের অন্যতম এই ভরসার মতে, নেইমার-মেসির সঙ্গে ক্লাবে তাকেও প্লে মেক করে খেলতে হয়। নিচে নামতে হয়। যে কারণে গোল করা থেকে চিন্তা সরে যায় তার।

বিষয়টি সত্য বলে মেনে নিয়েছেন পিএসজি কোচ ক্রিস্টোফার গালতিয়ের। তার মতে, মৌসুমের শুরুতে তিনিও একজন ভিন্ন স্টাইলের স্ট্রাইকার খুঁজেছিলেন। ক্লাব প্রেসিডেন্ট নাসের আল খেলাইফি এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর লুইস কাম্পোসের সঙ্গে কথাও বলেছিলেন। সঙ্গে একজন সেন্ট্রাল ডিফেন্ডারও চেয়েছিলেন। কিন্তু কাজ হয়নি।

গালতিয়ের বলেন, ‘তার বিশ্লেষণ অবশ্যই যৌক্তিক। ফ্রান্স দলে যে স্বাধীনতা বা সুযোগ সে পায় এখানে তার সবটা সে পায় না। প্রাক মৌসুমে এই বিষয়ে তার সঙ্গে আমার কথাও হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে আমি প্রেসিডেন্ট ও ডিরেক্টরের সঙ্গে বসেছিলাম। একটু ভিন্ন ধরনের একজন ফোর্থ স্ট্রাইকার আমাদের দরকার, এই বিষয়ে আমরা সম্মতও হয়েছিলাম।’ 

পিএসজি কোচ গালতিয়ের জানান, জাতীয় দলে এমবাপ্পের পছন্দের ফুটবলার থাকতে পারে। তেমনি ক্লাবে মেসি-নেইমার আছে। তাদের সঙ্গে রসায়ন ভালো ফ্রান্সম্যানের। যেটা জাতীয় দলে এমবাপ্পে পাবে না, ‘জাতীয় দলে হয়তো তার পছন্দের কেউ একজন আছেন। আবার আমরা এখানে ভিন্ন কৌশলে ফুটবল খেলি। মেসি-নেইমার এবং এমবাপ্পের মধ্যে যে টেকনিক্যাল রসায়ন সেটাও ভিন্ন, জাতীয় দলে তা আপনি পাবেন না।’