কেউ শতভাগ জিতেও পা মাটিতে রেখেছেন, আবার কেউ নিয়মিত খারাপ করেও বলছেন- তাঁদের দল ভালো অবস্থানে রয়েছে। তবে মুখের কথা আর মনের কথা যে এক নয়, সেটা পরিসংখ্যান দেখলেই বোঝা যায়। এই যেমন ইংল্যান্ড দল এত এত তারকা নিয়েও বিশ্বকাপের আগে নিজেদের পথ হারিয়ে ফেলে। তাতেও দলটির কোচ ও অধিনায়কের কণ্ঠে আশার কথা। তাঁরা বিন্দুমাত্রও হতাশ হতে রাজি নন। অথচ কাতারের বিমানে ওঠার আগে সাত ম্যাচ খেলা ইংল্যান্ড জিতেছে মাত্র একটিতে। 

একই অবস্থা চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিরও। নতুন আর অভিজ্ঞদের নিয়ে গড়া দলটি বিশ্বকাপের আগে ড্রয়ের বৃত্তে আটকা। ছয় ম্যাচে কেবল একটিতে জয় পায় তারা। যদিও এখনও একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ রয়েছে তাদের। তার উল্টো চিত্র ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা-নেদারল্যান্ডসের। লুইস ফন গাল ডাচদের কোচ হওয়ার পর থেকে দুর্দান্ত খেলছে দলটি। বিশ্বকাপের আগে তো তাদের সময় আরও ভালো যাচ্ছে। ছয় ম্যাচ খেলা নেদারল্যান্ডস জিতেছে পাঁচটিতে। যে দলটার আক্রমণভাগও চমৎকার। দেপাইয়ের সঙ্গে ভিনসেন্ট জেনসেন, কডি গেকফোও ছুটছেন। যাঁদের নিয়ে এবার বিশ্বকাপে চমক দেখাতে পারে ডাচরা। 

মহা টেনশনে আছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। এমবাপ্পে, গ্রিজম্যানদের মতো তারকা থাকার পরও বিশ্বকাপের আগে পথ হারিয়েছে দলটি। কঠিন পরীক্ষা দিয়ে বিশ্বকাপের টিকিট কাটা পর্তুগালও খুব একটা স্বস্তিতে নেই। ইিউরোদের সেরাদের উল্টোপিঠে চলছে লাতিনের দেশগুলো। তুখোড় ফর্মে ব্রাজিল, ছন্দে আছে আর্জেন্টিনাও। থেমে নেই বাকিরা। তাতে লাতিন থেকে এবার বিশ্বকাপে আলো কাড়তে পারে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা।