বার্বাডোজ রয়্যালসকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) শিরোপা জিতল জ্যামাইকা তালাওয়াস। প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৬১ রান করে বার্বাডোজ। জ্যামাইকা ২৩ বল বাকি থাকতে ৮ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয়।

গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত হয় বার্বাডোজের। রাকিম কর্নওয়েল ও কাইল মায়ার্সের উদ্বোধনী জুটিতেই আসে ৬৩ রান। এই দুই ওপেনারকে অল্পতেই থামিয়ে দিয়ে ব্রেক থ্রু আনেন ফ্যাবিয়ান অ্যালেন। ৩৬ রানে ইমাদ ওয়াসিমের তালুবন্দি হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন কর্নওয়েল। আর মায়ার্স ফেরেন ১৯ বলে ২৯ করে।

উইকেটের এক প্রান্তে আশা-যাওয়ার মিছিল শুরু হলেও অপর প্রান্ত আগলে ধরে দুর্দান্ত এক অর্ধশতকের ইনিংস খেলেন আজম খান। তবে অন্যপাশে আর কেউ বলার মতো কিছু না করতে পারলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৬২ রানেই থামে বার্বাডোজের ইনিংস। ৪০ বল খেলে ৪ চার আর ৩ ছক্কায় ৫১ রান করেন আজম।

১৬৩ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই গোল্ডেন ডাক মেরে আউট হয়ে যান ওপেনার কেনার লুইস। তবে আরেক ওপেনার ব্র্যান্ডন কিং বার্বাডোজের বোলারদের ওপর রীতিমত টর্নেডো চালিয়েছেন। কিংকে সঙ্গ দিয়েছেন শামারাহ ব্রুকস। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে দুজন মিলে যোগ করেন ৮৬ রান। ৩৩ বলে ৬ চার আর ২ ছক্কায় ৪৭ রান করে আউট হন ব্রুকস। তার এই ইনিংসটি সাজানো ছিল ২টি ছয় এবং ছ'টি চারের সাহায্যে। ৫০ বলে অপরাজিত ৮৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন ব্রেন্ডন কিং। তার এই ইনিংসে রয়েছে ১৩টি চার এবং ২টি ছক্কার মার। এই জুটিই শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করিয়ে দেয় জ্যামাইকাকে। ব্রুকস আউট হলে ক্রিজে আসেন রভম্যান পাওয়েল। তিনি একটি ছক্কার সাহায্যে ১৩ বলে ১৪ করে অপরাজিত থাকেন।

অ্যালেন ২৪ রান দেয় ৩টি উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন। আর পুরো টুর্নামেন্টে ৪২২ রান করে টুর্নামেন্ট সেরা হন ব্রেন্ডান কিং।