ব্রাইটন ও ব্রেনফোর্ডের বিপক্ষে হেরে মৌসুম শুরু করা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। এরিক টেন হ্যাগের দল লিভারপুল, আর্সেনাল, লেস্টার সিটিকে হারিয়ে নতুন শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। ম্যানচেস্টার ডার্বিতে পেপ গার্দিওয়ালার ম্যানসিটি ৬-৩ গোলে জিতে ম্যানইউ ভক্তদের বুঝিয়ে দিয়েছেন, ‘তোমাদের সেই দিন গেছে’।

ম্যাচে ম্যানসিটি ফেবারিট ছিল। ইতিহাদ স্টেডিয়ামে এসে বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাওয়া ম্যানইউ’র পক্ষে জেতা তো সহজ নয়! ম্যানসিটির ছোট পাসের পজিশন প্লেয়িং ফুটবলের কাছে হাই-প্রেসিং ফুটবলের খেই হারানোর গল্পও কম নয়। ম্যাচের ৮ মিনিটে নো লুকিং গোল করে তরুণ ইংলিশ ফরোয়ার্ড ফোডেন ওই বার্তা দেন।

প্রথমার্ধে দলকে ৪-০ গোলের লিড এনে দিয়ে ম্যাচ থেকে এক প্রকার ম্যানইউকে ছিটকে দেন আর্লিং হল্যান্ড ও ফোডেন। ম্যাচের ৩৪ মিনিটে ও ৩৭ মিনিটে গোল করেন বরুশিয়া ডর্টমুন্ড থেকে ম্যানসিটি আসা নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার হ্যালন্ড। ৪৪ মিনিটে নামের পাশে ডাবল লেখেন ফোডেন। 

হ্যালন্ডের পরে হ্যাটট্রিক করা ফোডেনের উদযাপন। ছবি: এএফপি

দ্বিতীয়ার্ধের ৫৬ মিনিটে এক গোল শোধ করে ম্যানইউ। গোল করেন আয়াক্স থেকে ওল্ড ট্রাফোর্ড আসা ১০০ মিলিয়নের ব্রাজিলিয়ান তারকা অ্যান্তোনি। ৬৬ মিনিটে গোলে ফেরে ম্যানসিটি। হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন হল্যান্ড। ম্যানসিটির হয়ে তৃতীয় হ্যাটট্রিকের স্বাদ পান তিনি। সিনিজেনদের হয়ে সব মিলিয়ে ১১ ম্যাচে করেছেন ১৬ গোল।

এরপর ৭২ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ফোডেন। ম্যাচে গোলের খেলা ওখানেই থামেনি। পরে হারের ব্যবধান কমিয়েছে ম্যানইউ। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে অ্যান্তোনিও মার্শিয়াল গোল করেন। যোগ করা সময়ে মার্শিয়াল পেনাল্টি থেকে গোল করে হারের ব্যবধান কমান। ম্যানইউ কোচ হ্যাগ এই ম্যাচে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে মাঠেই নামাননি। কাসেমিরোকে দ্বিতীয়ার্ধের ৭৯ মিনিটে ও ফ্রেডকে ৭০ মিনিটে নামান বদলি হিসেবে।