সাত ম্যাচের লম্বা সিরিজে শেষ হাসিটা হেসেছে মঈন আলীর ইংল্যান্ড। সিরিজের সপ্তম ম্যাচে নামার আগে হিসেবটা ছিল ৩-৩ সমতায়। ফলে শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি পরিণত হয়েছিল অঘোষিত ফাইনালে। সেখানে পাকিস্তানকে ৬৭ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। এতে ৪-৩ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিয়েছে ইংলিশরা।

গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাকিস্তান। ডেভিড মালানের ঝড়ো ফিফটির পর বেন ডাকেট ও হ্যারি ব্রুকের তাণ্ডবে ৩ উইকেটেই ২০৯ রানের পাহাড় দাঁড় করায় ইংল্যান্ড। জবাবে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪২ রানের বেশি করতে পারেনি পাকিস্তান।

সাত ম্যাচের সিরিজে সর্বোচ্চ রানের তালিকায় পাকিস্তানের দুই ওপেনার। ৪ ফিফটিসহ ৩১৬ রান রিজওয়ানের, একটি করে সেঞ্চুরি ও ফিফটিতে ২৮৫ রান বাবর আজমের। তবুও সাত ম্যাচ শেষে সিরিজ জয়ী দলটির নাম ইংল্যান্ড। প্রশ্ন উঠেছে, দুই ওপেনার দুর্দান্ত ছন্দে থাকার পরও পাকিস্তান কেন সিরিজ হারল?

ম্যাচ শেষে দলের মিডল অর্ডারকে দায়ী করে বাবর জানান, 'আমাদের মিডল অর্ডার নিয়ে আরও কাজ করতে হবে। মিডল অর্ডারের চাপটা আমাদের (ওপেনার) ওপরও পড়ে। এ নিয়ে কোচদের সঙ্গে কথা হচ্ছে, কথা হবে।'

এশিয়া কাপ থেকে ব্যর্থ পাকিস্তানের মিডল অর্ডার। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজেও সেই ব্যর্থতা টেনে আনছেন তারা। সিরিজজুড়ে রান তুলতে হিমশিম খেয়েছে তারা। সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, তাই এটাই পাকিস্তান অধিনায়ক বাবরের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা।

বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ত্রিদেশীয় সিরিজও খেলবেন বাবররা। যেখানে আছে বাংলাদেশও। ৭ অক্টোবর প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। এই সিরিজে হয়তো মিডল অর্ডার ব্যাটিংটা ঠিক করে নেওয়ার দিকেই বেশি নজর দেবে পাকিস্তান। বিশ্বকাপের আগে ত্রিদেশীয় সিরিজে জ্বলে উঠবেন ইফতিখার–খুশদিলরা। এমনটাই চাওয়া পাকিস্তানের।