নিষেধাজ্ঞার পর দুর্দান্ত কামব্যাক দেখিয়েছেন মোহাম্মদ আমির। জাতীয় দলে ফিরে পাকিস্তানকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতিয়েছেন। কিন্তু ২০২০ সালে ফর্ম কিছুটা পড়ে যেতেই এবং রমিজ রাজা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান হতেই দলে জায়গা হারান তিনি। 

ক্ষোভে অবসর নিয়ে নেন আমির। জানিয়ে দেন যে, রমিজ রাজা বোর্ডে থাকলে তার অবসর ভেঙে ফেরার কোন সম্ভাবনা নেই। তবে জাতীয় দলে না থাকলেও ৩০ বছর বয়সী আমির যে ফুরিয়ে যাননি সদ্য শেষ হওয়া ক্যারিবিয়ান সুপার লিগে (সিপিএল) তিনি তা দেখিয়ে দিয়েছেন। 

জ্যামাইকা তালওয়াসের হয়ে ৬.৪৩ গড়ে ১৬ উইকেট নিয়ে তিনি ক্রিকেইনফোর সিপিএলে সেরা একাদশে জায়গা করে নিয়েছেন। শুধু আমির নয় জাতীয় দলে জায়গা হারানো পাকিস্তানের বাঁ-হাতি স্পিন অলরাউন্ডার ইমাদ ওয়াসিমও আছেন সিপিএলের সেরা একাদশে। তিনিও জ্যামাইকার হয়ে খেলেছেন। 

সিপিএলের সেরা একাদশ: ব্রেন্ডন কিং (ওপেনার, রান-৪২২, গড়-৩৮.৩৬, স্ট্রাইক রেট-১৩৫.২৫), কাইল মেয়ার্স (ওপেনার, রান-৩৬৬, স্ট্রাইক রেট-১৩৪.৫৫, উইকেট-৮, বোলিং গড়-৫.৩৭), জনসন চার্লস (উইকেটরক্ষক, রান-৩৪৫, গড়-৪৩.১২, স্ট্রাইক রেট-১৩৩.২০), ফ্যাফ ডু প্লেসি (ব্যাটার, রান-৩৩২, গড়-৪১.৫০, স্ট্রাইক রেট-১৬৮.৫২), রোভম্যান পাওয়েল (রান-২৮১, গড়-৩৫.১২, স্ট্রাইক রেট-১২৮.৭৯, উইকেট-২), জেসন হোল্ডার (পেস অলরাউন্ডার, রান-১৫৫, গড়-৫১.৬৬, স্ট্রাইক রেট-১২০.১৫, উইকেট-১৭, বোলিং গড়-৬.৮৬), ডেভিড ভিসে (পেস অলরাউন্ডার, রান-১২৬, গড়-২৫.২০, স্ট্রাইক রেট-১৫০, উইকেট-১২, বোলিং গড়-৬.৭৫), ইমাদ ওয়াসিম (স্পিন অলরাউন্ডার, রান-১৩৮, গড়-১৯.৭১, স্ট্রাইক রেট-১২১.০৫, উইকেট-১৭, বোলিং গড়-৫.৯৭), সুনীল নারিন (স্পিন অলরাউন্ডার, রান-১১১, গড়-১৩.৮৭, স্ট্রাইক রেট-১২০.৬৫, উইকেট-১১, বোলিং গড়-৪.৮০), আলজারি জোসেপ (পেসার, উইকেট-১৮, বোলিং গড়-৬.৭৫), মোহাম্মদ আমির (পেসার, উইকেট-১৬, গড়-৬.৪৩)।