জেমি সিডন্সের হাতে টেলএন্ডারদের ছেড়ে দিয়ে সৌম্য সরকারকে নিয়ে নেটে পড়েছিলেন পরামর্শক কোচ শ্রীধরন শ্রীরাম। বাঁহাতি এই ব্যাটারকে সেশনের পুরো সময়টাই দিলেন। সৌম্যর স্ট্যান্সও সূক্ষ্ণভাবে শুধরে দিলেন। পেছনের পা কোথায় রাখলে সামনে-পেছনে কতটা কার্যকরভাবে নড়াচড়া করা যাবে।

থ্রোয়ার দিয়ে কোচ বল থ্রো করলেন, সৌম্য অনুশীলন করলেন সামনে বেরিয়ে বা পেছনে গিয়ে খেলতে। কোনো কোনো শট খেলে বাহবা পেলেন, কখনও কখনও বিরক্তিও সহ্য করতে হয়েছে ভুল করায়। মূলত পপিং ক্রিজের সামনের লাইনের ভেতরে পা রেখে বেরিয়ে ইয়র্কার ডেলিভারিতে সোজা খেলার নির্দেশ দিলেন কোচ। নেটে টানা অনুশীলন করে একপর্যায়ে সফলও হলেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।

শ্রীরামের কথায় পরিস্কার হয়ে গেছে, টপঅর্ডারে খেলবেন সৌম্য। তাই পাওয়ার প্লেতে বোলারদের সামলানোর কৌশল শেখাচ্ছিলেন শিষ্যকে। শ্রীরামের নির্দেশনা ভালোভাবেই বুঝতে পারছিলেন সৌম্য। পুরো দলই নতুন কোচের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ স্থাপন করতে পারছে ভাষাগত দূরত্ব কিছুটা ঘুচে যাওয়ায়। বেশিরভাগ সময়ই হিন্দিতে কথা বলেন শ্রীরাম। এতে করে সবার পক্ষেই কোচের চাওয়া বুঝতে পারেন সোহানরা।

কোচও চেষ্টা করছেন সব দিক থেকে ক্রিকেটারদের আপন করে নিয়ে দল হিসেবে গড়ে তুলতে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা পর্ব শেষ করে ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাসী করে তোলার কাজ করছেন বিশ্বকাপ ভেন্যুতে। সে উদ্দেশ্যেই সৌম্যকে নিয়ে আলাদাভাবে কাজ করছেন কোচ। সাব্বির বিদায় নেওয়ায় সৌম্যকে টপঅর্ডারে সেট করতে পুরো কৌশল ধরিয়ে দিচ্ছেন। কোচের দেওয়া প্ল্যান বাস্তবায়ন করে পায়ের মুভমেন্ট বাড়িয়ে ব্যাটিং করতে পারলে জাতীয় দলে লম্বা সময়ের জন্য টিকে যেতে পারেন সৌম্য।