ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার কথাটা আজও বললেন বেন স্টোকস। পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে দেশকে দ্বিতীয় টি-২০ বিশ্বকাপের শিরোপা এনে দিয়েছেন তিনি। ম্যাচ শেষে বলেছেন, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে হারের কথা। ওই হার ইংল্যান্ডকে জাগিয়ে তুলেছে। স্টোকসের মতে, বড় দল ভুল থেকে শিক্ষা নেয়। 

যে শিক্ষা বহু আগেই নিয়েছেন বেন স্টোকস। ২০১৬ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে শিরোপা জয়ের কাছাকাছি চলে যায় ইংল্যান্ড। শেষ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দরকার ছিল ১৯ রান। ছয় উইকেট হারানো দলটি বেন স্টোকসের শেষ ওভারে পরপর চারটি ছক্কা মেরে জয়ের উল্লাসে ভাসে। কার্লোস ব্রাথওয়েট যখন দুই হাত উচিয়ে বুক চিতিয়ে চিৎকার করেন, স্টোকস তখন মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়েন।  

ওই বেন স্টোকস ২০১৯ আসরের পঞ্চাশ ওভারের বিশ্বকাপে দলকে চ্যাম্পিয়ন করেন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। ক্রিকেট ইতিহাসে ফাইনালের সেরা ম্যাচ বলা হয় সেটিকে। পেস অলরাউন্ডার স্টোকস মেজাজ হারাননি। প্রচণ্ড চাপেও মাথা ঠান্ডা রেখে অঙ্কের মতো হিসেব মিলিয়ে ম্যাচ ড্র করেন। সুপার ওভারের পরে বাউন্ডারির হিসেবে শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হয় ইংল্যান্ড। 

বিশ্বকাপের শিরোপা নিয়ে ইংলিশ ক্রিকেটারদের উদযাপন। ছবি: এএফপি

এবার অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে আরেকটি শিরোপার নায়ক হলেন স্টোকস। পাকিস্তানের ১৩৮ রানের জবাবে ৪৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ছিল ইংল্যান্ড। বেন স্টোকস এবারও এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে দৃঢ়ভাবে খেলেন ৪৯ বলে ৫২ রানের হার না মানা ইনিংস। অবশেষে দলকে চ্যাম্পিয়ন করেই মাঠ ছাড়েন। 

ম্যাচ শেষে তিনি জয়ের কৃতিত্ব দিয়েছেন বোলারদের, যারা অল্প রানে পাকিস্তানকে বেধে রাখতে ভূমিকা রেখেছেন। তরুণ পেসার স্যাম কারেন ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। আদিল রশিদ ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। স্টোকসের মতে, ‘রান চেজ করে জিতলে আগে কী কী ঘটেছে তা সবাই ভুলে যায়। এই ম্যাচে আমাদের জয়ের নায়ক আসলে বোলাররা।’