পরিবেশ বান্ধব স্টেডিয়াম নির্মাণ করেছে কাতার। শীতকালীন বিশ্বকাপ হলেও মরুর দেশ কাতার ইউরোপের প্রতিনিধিদের জন্য গরমই। যে কারণে স্টেডিয়াম শীততাপ নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে। তবু শীত ও গরমের দেশের মধ্যে পার্থক্য থেকেই যায়। 

কন্ডিশন অনুযায়ী, এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলো সুবিধা একটু বেশি পাবে। ডাচদের কাছে হারলেও সেনেগালের দুর্দান্ত লড়াই। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সৌদি আরবের রূপকথার জয় ওই কথাই বলছে। এবার উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়া রুখে দিল কাতার বিশ্বকাপে ‘ডার্ক হর্স’ হিসেবে পা রাখা ডেনমার্ককে। 

পুরো ম্যাচ ডেনিসরা নিয়ন্ত্রণ করেছে। ম্যাচে ৬৮ শতাংশ বলের দখল রেখেছে নিজেদের পায়ে। গোল মুখে পাঁচটি গোল হওয়ার মতোই আক্রমণ করেছে। কিন্তু ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০ এ থাকা ডেনিসরা ৩০ নম্বরে থাকা তিউনিসদের বিপক্ষে গোল করতে পারেনি। গোল মুখে মাত্র একটি শট নেওয়া তিউনিসিয়ার জন্য এই ড্র ও একটি পয়েন্ট তাই বড় প্রাপ্তি। 

অন্যদিকে ড্র করে একটি পয়েন্ট পেলেও ডেনমার্ক খেলোয়াড়দের চোখে মুখে ছিল স্পষ্ট হতাশা। দলটির অভিজ্ঞ খেলোয়াড় ও গোলরক্ষক কাসপার স্মাইকেল যেমন কিছুক্ষণ উপরের দিকে নিশ্চুপ তাকিয়ে থেকে হতাশায় মাথা নাড়লেন। যেন নকআউটের কোন ম্যাচ হেরেছেন তারা।