আগামীর তারকা জুড বেলিংহাম। তরুণ অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারদের মধ্যে তার পর্যায়ের খেলোয়াড় নেই বললেই চলে। ১৯ বছর বয়স তার। এরই মধ্যে দুই বছর ইংল্যান্ডের জার্সিতে খেলে ফেলেছেন। বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের হয়ে খেলছেন তিন মৌসুম। প্লে মেকিং, গোল করানো এবং গোল দেওয়ায় মিলিয়ে তিনি ‘কমপ্লিট প্যাকেজ’।

আগামী গ্রীষ্মকালীন দলবদলের মৌসুমে যে জুড বেলিংহাম গরম করবেন এতে কোন সন্দেহ নেই। এরই মধ্যে তাকে দলে নেওয়ার দৌড় শুরু হয়ে গেছে। সংবাদ মাধ্যম ডেইলি স্টার ইউকে জানিয়েছে, ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপ মাতানো এই তরুণকে দলে নিতে ইউরোপের পাঁচ জায়ান্ট ক্লাব লড়াইয়ে নেমেছে। 

ওই পাঁচ দল হলো- রিয়াল মাদ্রিদ, লিভারপুল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে, ম্যানচেস্টার সিটি এবং চেলসি। এর মধ্যে মূল লড়াই রিয়াল এবং ম্যানসিটির মধ্যে হতে পারে। যদিও বেলিংহাম লিভারপুলের টপ টার্গেট। তাকে দলে নিতে সম্ভাব্য সবকিছুই করতে চায় রেডসরা। 

রিয়াল ও লিভারপুলের ওই লড়াই জমিয়ে দিচ্ছে ম্যানচেস্টার সিটি। পেপ গার্দিওয়ালাও একজন অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার খুঁজছেন। বেলিংহাম হলে তো কথাই নেই। ক্লাবটি পেপ গার্দিওয়ালার অধীনে খুবই ভালো করছে। অর্থ ক্লাবটির জন্য যেন কোন সমস্যাই নয়। 

বেলিংহামকে কিনতে অন্তত ১০০ মিলিয়ন ইউরো খরচ হবে এটা নিশ্চিত। তাকে দলে নিতে আগ্রহী পাঁচ ক্লাবেরই ওই অর্থ দিয়ে তাকে কিনতে সমস্যা নেই। অঁরেলিন চুয়ামেনিকে ১০০ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে কেনা রিয়ালও বেলিংহামের জন্য শত মিলিয়ন দিতে পারবে। 

আবার মোটা অঙ্কের অর্থ দিয়ে জ্যাক গ্রেলিস, কেলভিন ফিলিপকে যে ম্যানসিটি দলে ভেড়াতে পারে তাদের কাছে বেলিংহামের জন্য ১০০ মিলিয়ন বড় ব্যাপার নয়। ম্যানইউ’এর জন্যও বিষয়টি একই। অন্যদিকে রিয়াল মাদ্রিদ তাকে দিতে পারে নিয়মিত খেলানোর নিশ্চয়তা। কারণ দলটি লুকা মডরিচ এবং টনি ক্রুস পরবর্তী দলের মিডফিল্ড নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে। বেলিংহাম তাই লস ব্লাঙ্কোস শিবিরে বাড়তি গুরুত্ব পাবেন।