আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডের পর এবার শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ওয়ানডে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে টি-টোয়েন্টিতে শুভসূচনা করতে প্রস্তুত স্বাগতিক বাংলাদেশ। অন্যদিকে বাংলাদেশকে হারানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে আইরিশ বাহিনী। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে আজ দুপুর ২টায় মাঠে নামার অপেক্ষায় বাংলাদেশ ও আয়ার‍ল্যান্ড।

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের আগের সিরিজে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়ে আইরিশদের বিপক্ষে ফুরফুরে মেজাজে টাইগার শিবির। ইংলিশদের তুলনায় আয়ারল্যান্ড অনেক পেছনের সারির দল। এক দিনের ক্রিকেট প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারেনি তারা। ধারণা করা হচ্ছে, টি২০ সিরিজেও সেভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে না। প্রভাব বিস্তার করে খেলে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করতে পারবেন সাকিবরা।

২০০৯ সালের বিশ্বকাপের প্রথমবারের মত এই ফরম্যটে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলে বাংলাদেশ। প্রথম দেখাতেই আইরিশদের কাছে হারতে হয় ইংল্যান্ডের মাটিতে। তিন বছর পর দ্বিপক্ষীয় সিরিজে আয়ারল্যান্ডকে তাদের মাটিতে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশ। গত ১১ বছরে ইউরোপের এই দলের বিপক্ষে আর টি২০ খেলা হয়নি। ২০১৬ সালের টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডে ধর্মশালায় এ দু’দলের ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয় বৃষ্টির কারণে।

১১ বছর পর চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য আয়ারল্যান্ডকে আতিথ্য দিচ্ছে বাংলাদেশ। এই মাঠেই কিছুদিন আগে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। হাথুরুসিংহের ভাষ্য অনুযায়ী, ট্যু উইকেটে হবে আজকের ম্যাচ, ‘দেখতে ফ্ল্যাট উইকেট। কারণ, আমাদের পছন্দ মতো পর্যাপ্ত ঘাস নেই। কিছু করারও নেই। অনেক ক্রিকেট খেলা হওয়ায় মাঝের পিচে ঘাস না থাকার কারণ। আশা করি, ট্যু উইকেট হবে। তবে আমার মনে হয় না এ মুহূর্তে অনেক পেস থাকবে।’

হাথুরুর মতো আইরিশ কোচও বলে দিলেন, ট্রু উইকেট হতে যাচ্ছে প্রথম টি-টোয়েন্টির পিচ। বলা যায়, মোটামুটি একটি ব্যাটিং স্বর্গে শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

ইংল্যান্ড সিরিজে যারা রাঙিয়েছেন, এখানেও ভার তাদের হাতে। লিটনের সঙ্গে ওপেন করবেন রনি। টপ অর্ডারে নাজমুল হোসেন শান্ত ও তৌহিদ হৃদয় মোটামুটি নিশ্চিত। এর মধ্যে রয়েছেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। এদিকে ফর্মহীনতার কারণে দল থেকে ছিটকে গেছেন আফিফ হোসেন। ছয় নম্বর জায়গাটা তাই আপাতত শামীম হোসেন পাটোয়ারির। সাতে মেহেদী হাসান মিরাজ। আটে নাসুম আহমেদ। এরপরে তিন পেসার,  তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান আর হাসান মাহমুদের খেলার কথা। 

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ: লিটন দাস, রনি তালুকদার, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, সাকিব আল হাসান, শামীম হোসেন পাটোয়ারি, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান ও হাসান মাহমুদ।