ধারণা করা হয়েছিল বার্ষিক সাধারন সভায় বাফুফের আয়-ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন কাজী সালাউদ্দিনের বিরোধীরা। নির্বাচনের আগে আসলামরা প্রশ্ন তুলেও ছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের দিন ওসব নিয়ে হট্টগোলে যেতে চাননি কেউ। এজিএমে তাই ১৩৯ কাউন্সিলের ১৩৬ জন উপস্থিত থেকেও তেমন কোনো প্রশ্ন তোলেননি।শান্তিপূর্ণভাবেই তাই শেষ হয়েছে বাফুফের এজিএম। শুরু হয়ে গেছে বাফুফে নির্বাচন।

এজিএম নিয়ে সহ-সভাপিত প্রার্থী মো. ইমরুল হাসান বলেন, এ বছর এজিএম অনেক সুশৃংখল ছিল। ডেলিগেটদের উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। সবাই উৎসবমুখর পরিবেশে এজিএমে অংশ গ্রহন করেছেন। এজিএমে গত বছরের অডিট রিপোর্ট এবং আগামী বছরের বাজেট; সবকিছুই অনুমোদন হয়েছে।

সহ-সভাপতি প্রার্থী রেদোয়ান জানান, এই মুহূর্তে সবার মাথায় নির্বাচন। তাই এজিএমে কোনো কিছু নিয়ে কেউ আপত্তি তোলেনি। সবকিছুই তাই পাস হয়েছে। এমনকি শেখ মোহাম্মদ আসলামও একই কথা বলেছেন, ‘উনাদের দেওয়া কাগজপত্র আমরা দেখেছি, সব ঠিক আছে। সবই তাই পাস হয়েছে।’

অবশ্য শরিয়তপুরের কাউন্সিলর একটা ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তবে তা নিয়ে তেমন হট্টগোল হয়নি। কারণ সাধারন সম্পাদক বিষয়টি তাকে বুঝিয়ে দেওয়ার তিনি চুপ হয়ে যান। শনিবার রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে এজিএমের পরে হচ্ছে বাফুফে নির্বাচন। দুপুর দুইটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত চলবে ভোট। ১৩৯ ভোটারের ভোটে একজন সভাপতি, একজন সিনিয়র সহ-সভাপতিসহ মোট নির্বাচিত হবেন ২১ জন।