কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ১৫ জনের করোনা পজিটিভ ও চারজনের করোনা উপসর্গ ছিল।

হাসপাতালের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মেজবাউল আলম জানান, বর্তমানে হাসপাতালে  ১৪৮ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী ও ৬০ জন উপসর্গ নিয়ে মোট ২০৮ জন ভর্তি রয়েছে। এর আগের দিনও মারা যায় ১৪ জন। 

পিসিআর ল্যাব ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৮৪১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৬০ জনের দেহে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৩০. ৯১ শতাংশ। 

এদিকে, ১৪ দিনের লকডাউনের ৩য় দিন চলছে। মহাসড়কসহ শহরে ঢোকার সড়কগুলোতে পুলিশ বাঁশ দিয়ে রাস্তা সরু করে চেকপোস্ট বসালেও মানুষ সেখান দিয়ে বাধা ছাড়াই চলাচল করছে। আর কাঁচা বাজার ও মুদি দোকানগুলো শুক্র, সোম ও বুধ এই তিনদিন সকাল ৭টা থেকে দুপর ১টা পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

হাসপাতালে আগের তুলনায় রোগী ভর্তি কমলেও মৃত্যু কমছে না। প্রতিদিনই মারা যাচ্ছে ১০ এর অধিক মানুষ। এছাড়া অনেকে বাড়িতেও মারা যাচ্ছে। হিসাব হচ্ছে না। 

জেলায় এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪৯৯ জন।