টানা চতুর্থ দিন গতকাল মঙ্গলবার দরপতন হয়েছে শেয়ারবাজারে। ডিএসইতে প্রায় ৬২ শতাংশ এবং সিএসইতে ৬৫ শতাংশের বেশি শেয়ারের দরপতন হয়েছে। বেশিরভাগ শেয়ারের দর কমায় মূল্যসূচকেরও পতন হয়েছে। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স হারিয়েছে ৩০ পয়েন্ট। এ নিয়ে টানা চার কার্যদিবসে সূচকটি হারাল ১২২ পয়েন্ট।

সার্বিক লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ১৬৪ কোম্পানির শেয়ার গতকাল সার্কিট ব্রেকারের সর্বনিম্ন দরে (২ বা প্রায় ২ শতাংশ কমে) কেনাবেচা হয়। লেনদেনের শেষ পর্যন্ত এমন দরে স্থির ছিল ৬১ শেয়ার। তবে দরপতনের মধ্যেও সাত কোম্পানির শেয়ার সার্কিট ব্রেকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ দরে কেনাবেচা হয়। লেনদেনের শেষ পর্যন্ত ওই দরে স্থির ছিল পাঁচটি।

সার্বিক হিসাবে ডিএসইতে কেনাবেচা হওয়া ৩৮২ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৮৯টির দর বেড়েছে, কমেছে ২৩৬টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৫৭টির। এর মধ্যে ব্যাংক খাতের ৩৩ কোম্পানির মধ্যে ২১টির পতন হয়েছে এবং বেড়েছে চারটির। আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের ২২ কোম্পানির মধ্যে ১৬টির দর কমেছে এবং বেড়েছে দুটির। বীমা খাতের ৫৪ কোম্পানির মধ্যে ৩৫টির দর বেড়েছে এবং কমেছে ১৮টির। উৎপাদন ও সেবা-সংশ্নিষ্ট খাতের ক্ষেত্রেও প্রায় একই চিত্র ছিল।

গতকাল ডিএসইর লেনদেন পৌনে ৭৭ কোটি টাকা বেড়ে ৮৭৪ কোটি ৯২ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে। এর মধ্যে শাইনপুকুর সিরামিকের মোট ৭১ কোটি ৬৬ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়। খাতওয়ারি লেনদেনের শীর্ষে ছিল বীমা খাত। এ খাতের ৫৪ কোম্পানির ১১৫ কোটি ২৩ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, যা মোট লেনদেনের ১৩ দশমিক ১৭ শতাংশ। ওষুধ ও রসায়ন খাতের ৩১ কোম্পানির ১১১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা এবং বস্ত্র খাতের ৫৮ কোম্পানির ১১০ কোটি ৮২ লাখ টাকার লেনদেন ছিল এর পরের অবস্থানে।