সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসেও বেশিরভাগ শেয়ারের দরপতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে দেশের পুঁজিবাজারে। আজ সকালে লেনদেন শুরুর পর দুই ঘণ্টা শেষে প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইতে লেনদেনে আসা ৩৮২ কোম্পানির মধ্যে ৩৩৩টিই দর হারিয়ে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। অর্থাৎ ৮৭ শতাংশ শেয়ারের দরপতন হয়েছে।

এতে প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ৭১ পয়েন্ট হারিয়ে ৬ হাজার ২৩৩ পয়েন্টে নেমেছে। সূচক পতনের হার ১ দশমিক ১২ শতাংশ। গতকালও এ বাজারে দরপতন হয়েছিল, সূচক হারিয়েছিল ২০ পয়েন্ট।

এদিকে স্বল্প মূলধনী কোম্পানির শেয়ারবাজার এসএমই বোর্ডে তালিকাভুক্ত ১৩ কোম্পানিরও শেয়ারেও ব্যাপক দরপতন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আজ সোমবার লেনদেন শুরুর ২ ঘণ্টা শেষে একটি ছাড়া বাকি ১২টিই ব্যাপক দর হারিয়েছে। এতে এ বাজারে মূল্য সূচক ডি-এসএমইএক্সের সূচকের পতন হয়েছে ১৮৫ পয়েন্ট বা সাড়ে ৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

গতকাল রোববারও এমন পরিস্থিতি ছিল। ওই বাজারে লেনদেন হওয়া সব শেয়ারের দরপতনে সূচকটি হারিয়েছিল ৬.৯৭ শতাংশ। অর্থাৎ গতকালের সাড়ে চার ঘণ্টাসহ আজকের দুই ঘণ্টা মিলে মোট সাড়ে ছয় ঘণ্টাতেই এ বাজারের সূচকের পতন হয়েছে ১৫ শতাংশ।

আজ দিনের প্রথম দুই ঘণ্টায ডিএসইর মূল বাজারে ৩৩৩ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আর এসএমই বোর্ডে সোয়া ১৩ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হতে দেখা যায়।

ব্যাপক দরপতনে প্রায় ১৪০ কোম্পানির শেয়ার দিনের সার্কিট ব্রেকার নির্ধারিত সর্বনিম্ন দরে কেনাবেচা হতে দেখা যায়।

যদিও ব্যাপক মাত্রার দরপতন ঠেকাতে কোনো শেয়ারের দর আগের দিনের তুলনায় ২ শতাংশের বেশি কমতে পারবে না- এমন নিয়ম আগে থেকেই বেধে দিয়ে রেখেছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

তবে নির্দিষ্ট দিনে ২ শতাংশ দরপতন হতে না পারলেও সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত দরবৃদ্ধির নিয়ম বহাল আছে।

দুপুর ১২টায় ডিএসইতে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের শেয়ার ৯ শতাংশ বেড়ে ৬ টাকা দরে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। এছাড়া বিআইএফসি নামের আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের কোম্পানির শেয়ারও প্রায় ৯ শতাংশ বেড়ে ৭ টাকা ৩০ পয়সায় কেনাবেচা হয়। বস্ত্র খাতের মিথুন নিটিং কোম্পানির শেয়ারের দর সোয়া ৬ শতাংশ বেড়ে ১৮ টাকা ৭০ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছিল। যদিও এই তিন শেয়ারই রম্নগ্ন কোম্পানি হিসেবে চিহ্নিত।