আজ মঙ্গলবারও ক্রেতা নেই অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের। প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইতে সকাল সাড়ে ১১টায় লেনদেনে আসা ৯০ শতাংশ শেয়ার দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল। এর মধ্যে ৫০ শতাংশের বেশি শেয়ারে বিক্রেতারা ক্রেতার দেখা পাচ্ছেন না।

পরিস্থিতি এমনই যে, এ সময় দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশে থাকার কোম্পানির অন্তত সাতটিরও ক্ষেত্রেও ক্রেতা ছিল না। যেমন- এ সময় ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির শেয়ার ছিল ৮.৩৬ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে শীর্ষে। কিন্তু কোনো ক্রেতা ছিল না।

এ অবস্থার কারণ বিশ্লেষণে দেখা যায়, সকাল ১০টায় দিনের লেনদেন শুরুর ছয় মিনিট পর কোনো এক ক্রেতা শেয়ারটি গতকালের তুলনায় ৮.৩৬ শতাংশ বেশি দরে ১৯০ টাকায় ২ হাজার ৫০টি শেয়ার কিনেছিলেন। এর পর আর কোনো লেনদেন হয়নি। যদিও ওই লেনদেনের পর বিক্রেতা ক্রমে দর কমিয়ে দিনের সর্বনিম্ন দর ১৮৬ টাকা ২০ পয়সা দরে বিক্রির আদেশ দেন। কিন্তু কেউ এ দরেও শেয়ার কেনার আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।

একই অবস্থা দেখা গেছে, দরবৃদ্ধির শীর্ষে থাকা ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, প্রিমিয়ার লিজিং কোম্পানির শেয়ারের ক্ষেত্রে।

প্রায় একই অবস্থা চলছে চট্টগ্রামকেন্দ্রীক দেশের দ্বিতীয় শেয়ারবাজার সিএসইতে।

তবে পুরোপুরি ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে স্বল্প মূলধনী কোম্পানিগুলোর শেয়ার কেনাবেচার নতুন বাজার এসএমই বোর্ডে।

আজ লেনদেনের শুরুতে এ বাজারের একটি ছাড়া বাকি সব শেয়ারের দরপতনে ডিএসএমইএক্সের সূচকের ৭ শতাংশ পতন হয়েছিল। ১০টা ৮ মিনিটে সূচকটি ১৬৩৬ পয়েন্টের নিচে নেমেছিল। আজ সূচকটির যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৭৭৫ পয়েন্ট থেকে।

কিন্তু ১০টা ৪০ মিনিটে থেকে ক্রমে ঘুরে দাঁড়াতে সূচক। এক পর্যায়ে সূচকটি ১৮১২ পয়েন্ট ছাড়ায়। বেলা সাড়ে ১১টায় ১৭৫৩ পয়েন্টে অবস্থা করতে দেখা যায়।

গত কয়েক মাসের লেনদেন বিশ্লেষণেও দেখা গেছে, মূল শেয়ারবাজারে অব্যাহত দরপতনের বিপরীতে এ বাজারের গুটিকয় শেয়ারের দর হু হু করে বেড়েছিল। বড় দুই কারসাজি চক্রের হোতার কারণে এ বাজারের শেয়ারদর হুহু করে বাড়ার কারণ বলে জানান শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টরা।