টানা চারদিন ঊর্ধ্বমুখী ধারায় থাকার পর আজ বৃহস্পতিবার কিছুটা অস্থিরতা বিরাজ করছে শেয়ার লেনদেনে। শেয়ারদরে ফ্লোর প্রাইস আরোপের পর গত রোববার থেকে বুধবার পর্যন্ত সিংহভাগ শেয়ারের দরবৃদ্ধির কারণে প্রধান মূল্য সূচক ৫৯৮০ পয়েন্ট থেকে ৬৩০০ পয়েন্ট ছাড়ায়। অর্থাৎ চার দিনে সূচক বাড়ে ৩২০ পয়েন্ট।

বুধবার লেনদেনের আধা ঘণ্টার মধ্যে ওই সূচক ১০৪ পয়েন্ট বেড়ে ৬৩৫৩ পয়েন্ট ছাড়ায়। কিন্তু দিনের শেষে ৫০ পয়েন্ট বৃদ্ধি দিয়ে ৬৩০০ পয়েন্টের কিছুটা ওপরে গিয়ে সূচক থামে।

সূচক বাড়লেও বুধবার দরবৃদ্ধি পাওয়া শেয়ারের তুলনায় দর হারানো শেয়ারের সংখ্যা ছিল বেশি। দর বাড়ে ১৫২ শেয়ারের আর দর হারায় ১৬২টি।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার লেনদেন শুরুর পর বেশিরভাগ শেয়ার দর হারায়। লেনদেন শুরুর দেড় ঘণ্টা পর সকাল সাড়ে ১১টায় একই পরিস্থিতি দেখা যায়।

আজ ডিএসইএক্স সূচকের যাত্রা হয় গতকালের ক্লোজিং অবস্থান ৬৩০০ পয়েন্ট থেকে। সকাল ১০টায় প্রথম সেকেন্ডেই কয়েকটি বড় শেয়ারের সামান্য দর বৃদ্ধিতে সূচক ৫ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়, ওঠে ৬৩০৫ পয়েন্টে। প্রথম ১৫ মিনিট শেষে আরও ১০ পয়েন্ট বেড়ে ৬৩১৬ পয়েন্ট ছাড়ায়। কিন্তু পরের ১৯ মিনিট শেষে সকাল ১০টা ৩৪ মিনিটে ৪০ পয়েন্ট হারিয়ে সূচক ৬২৭৫ পয়েন্টে নামে।

এরপর ফের বড় শেয়ারে ভর করে সূচক খানিকটা বৃদ্ধি পায়। সকাল সাড়ে ১১টায় গতকালের তুলনায় ১২ পয়েন্ট হারিয়ে সূচক ৬২৮৮ পয়েন্টে অবস্থান করতে দেখা গেছে। এ সময় ৯৫ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড দর বেড়ে কেনাবেচা হয়। বিপরীতে দর হারিয়ে কেনাবেচা হয় ২১০টি এবং দর অপরিবর্তিত অবস্থায় কেনাবেচা হতে দেখা যায় ৬৮টি শেয়ার।

প্রথম দেড় ঘণ্টায় আজ ৩৯৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়। গতকাল একই সময়ে ৫৩৪ কোটি ৮০ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়।

আজকের খাতওয়ারি লেনদেন পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এই প্রতিবেদন তৈরির সময় পর্যন্ত বস্ত্র এবং ওষুধ ও রসায়ন খাতের বেশিরভাগ শেয়ার দর বেড়ে কেনাবেচা হয়। বিপরীতে অন্য সব খাতের সিংহভাগ শেয়ার দর হারিয়ে কেনাবেচা হতে দেখা যায়। তবে লেনদেন সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই দুই খাতের অনেক শেয়ার দর হারানোর ধারায় যুক্ত হয়। 

টাকার অঙ্কে লেনদেনেও বস্ত্র এবং ওষুধ ও রসায়ন খাতকে এগিয়ে থাকতে দেখা যায়।