সিলেট

ওসমানীতে রেখে যাওয়া শিশুটি কনস্টেবলের জিম্মায়

প্রকাশ: ২১ মে ২০১৯     আপডেট: ২১ মে ২০১৯      

সিলেট ব্যুরো

রেখে যাওয়া সেই শিশু- সমকাল

পাঁচদিন আগে মামা-মামি পরিচয় দিয়ে এক নবজাতককে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ আনতে যাওয়ার পর আর দেখা মেলেনি সেই ‘মামা-মামির’।

নবজাতক হওয়ায় শিশুর পরিবর্তে মা আয়েশা বেগম ও বাবা শিমুল আহমদের নাম ও নগরীর শিবগঞ্জ সোনারপাড়ার ঠিকানা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু মা-বাবা, মামা-মামি বা অন্য কেউ আর না আসায় ওসমানী হাসপাতালে পুলিশ, ডাক্তার আর নার্সদের সেবায় সুস্থ হয়ে উঠেছে হতভাগ্য শিশুটি।

তবে কোনও অভিভাবক না থাকায় শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার শিশুটির ভাগ্য নির্ধারণ করলেন আদালত। এদিন পুলিশ শিশুটিকে আদালতে হাজির করলে রবিউল হোসেন নামের এক পুলিশ কনস্টেবল শিশুটিকে নিজের জিম্মায় নেওয়ার আবেদন করেন।

শুনানি শেষে আদালত কনস্টেবল রবিউলের জিম্মায় শিশুটিকে দেওয়ার নির্দেশ দেন অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মোস্তাইন বিল্লাহ।

হাকিম আদালতের কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াদুদ এতথ্য নিশ্চিত করে জানান, শুনানি শেষে আবেদন বিবেচনা করে বিচারক শিশুটিকে কনস্টেবল রবিউলের জিম্মায় দেন।

ওসমানী হাসপাতাল পুলিশ কেন্দ্রের ইনচার্জ ওমর ফারুক সমকালকে জানান, গত ১৭ মে সন্ধ্যার পর নবজাতক শিশুটিকে রেখে দুইজন উধাও হয়ে যাওয়ার পর তারা সবাই মিলে শিশুটির দেখভাল করেন। অসুস্থ শিশুটিকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

তিনি জানান, মঙ্গলবার শিশুটিকে সুস্থ হিসেবে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। কিন্তু তাকে নেওয়ার জন্য কেউ না আসায় বাধ্য হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে। আইনি পদক্ষেপ নিতে কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তরের পর তারা শিশুকে আদালতে হাজির করেন বলে জানান তিনি।


বিষয় : সিলেট