জল্পনাই সত্যি, অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। বেশ কিছুদিন ধরে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা হচ্ছিল। কোন দলের হয়ে আবার নির্বাচনের মাঠে নামছেন, তা নিয়ে চলছিল আলোচনা।

সেই জল্পনার অবসান, নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড সভামঞ্চে বিজেপিতে যোগ দিলেন বিপুল ভক্ত-সমর্থকদের মিঠুন। হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, শনিবার কলকাতায় এসে বেলগাছিয়ার একটি হোটেলে ওঠেন মিঠুন। রাতেই রাজ্য বিজেপির মহাসচিব কৈলাস বিজয়বর্গী হোটেলে গিয়ে মিঠুনের সঙ্গে দেখা করেন। জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বার্তা নিয়ে মিঠুনের কাছে যান তিনি।

কৈলাস বিজয়বর্গীর সঙ্গে ওই সাক্ষাতের পর রোববার বেলগাছিয়া থেকে ব্রিগেডের উদ্দেশ্যে রওনা দেন মিঠুন। ধুতি-পাঞ্জাবি পরে ব্রিগেডে হাজির হন তিনি। তার আগমন ঘিরে বিজেপিকর্মীদের মধ্যে ছিল বিপুল উন্মাদনা।

পরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন বাংলা সিনেমার এ 'ফাটাকেষ্ট'।

৭০ বছর বয়সী মিঠুন পশ্চিমবঙ্গেরই। এই বাঙালি অভিনেতা বলিউডের চলচ্চিত্রেও খ্যাতি কুড়ান।

এর আগে মিঠুন তৃণমূল কংগ্রেসনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমন্ত্রণে রাজ্যসভার সদস্য হয়েছিলেন। তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভায় ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। মিঠুনকে ওই সময় সারদা গোষ্ঠীর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরও করা হয়। এজন্য তিনি পারিশ্রমিকও পেয়েছিলেন। কিন্তু সারদার আর্থিক কেলেঙ্কারি ফাঁস হলে মিঠুনেরও নাম জড়ায়। সারদার কাছ থেকে নেওয়া পারিশ্রমিকের অর্থ তদন্তকারী সংস্থা ইডির হাতে তুলে দেন মিঠুন। ইডির কাছ থেকে রেহাই পেয়ে মিঠুন ছেড়ে দেন তৃণমূল। ছাড়েন রাজ্যসভার পদও। এমনকি রাজনীতিও ছাড়েন তিনি। এ ঘটনার পর মিঠুন কলকাতা থেকে চলে যান। তিনি থাকতে শুরু করেন মুম্বাইতে।

মন্তব্য করুন