ঢাকা শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪

সম্ভাবনা

ফাইভজি প্রকল্পে বাংলাদেশ

ফাইভজি প্রকল্পে বাংলাদেশ

.ফাইভজি প্রকল্পে বাংলাদেশ

টেকলাইফ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩ | ০২:০৬ | আপডেট: ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩ | ১৫:১৮

বাংলাদেশে ফাইভজি উন্মোচনে ১ হাজার ৫৯ কোটি টাকা ব্যয়ে হাতে নেওয়া হয় ‘ফাইভজি রেডিনেস’ প্রকল্প। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়; যার যন্ত্রাদি ক্রয়ে ব্যয় ধরা হয় ৪৬৩ কোটি টাকা।

দরপত্রে তিনটি কোম্পানি প্রস্তাব দাখিল করে। কারিগরি মূল্যায়ন ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রকল্পের দরপত্রের আর্থিক প্রস্তাব উন্মোচন করা হয়। কারিগরি মূল্যায়নে উত্তীর্ণ হওয়া তিনটি কোম্পানির মধ্যে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে ৩২৬ কোটি টাকা দরপ্রস্তাব করে হুয়াওয়ে। 

উল্লিখিত প্রকল্পে সরকারের ৪৬৩ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ ছিল। হিসাব বলছে, অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় ১৩৭ কোটি (৩০ শতাংশ) টাকা কম দর প্রস্তাব করে হুয়াওয়ে। ফলে প্রকল্পে সরকারের সাশ্রয় হবে।

হুয়াওয়ে বাংলাদেশের অ্যাকাউন্ট রেসপন্সিবল মঈনুল হাসান বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকারের সঙ্গে কাজ করতে হুয়াওয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কাজ করছি।’

২০৪১ সালের যে ভিশন সরকার নিয়েছে, তা বাস্তবায়নে ফাইভজি রেডিনেস প্রকল্পে বৈশ্বিকভাবে ব্যবহৃত মানোন্নত প্রযুক্তি সরবরাহ করব। প্রকল্পের শুরু থেকেই নানামুখী জটিলতার সম্মুখীন হতে হয়। তবে কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি, বিটিসিএলের বিওডি ছাড়াও সব পক্ষ থেকে মূল্যায়নের পরই হুয়াওয়ে কাজ পেয়েছে। এরই মধ্যে ফাইভজি প্রকল্পের কাজ শুরু করেছি। জরিপ পরিচালনা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট কাজ চলমান। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করতে আশাবাদী।

আরও পড়ুন

×