প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় এখন আমাদের নিত্যসঙ্গী ডিজিটাল ডিভাইস। এসব ডিভাইসের একটি পুরোনো কিংবা অকার্যকর হলে নতুন আরেকটির দিকে ঝুঁকছি। ফলে পুরোনো ডিভাইসটি ইলেকট্রনিক বর্জ্যে পরিণত হচ্ছে, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। একটু সচেতন হলেই ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার হতে পারে পরিবেশবান্ধব।

পুরোনো ডিভাইস পুনঃব্যবহার :ইলেকট্রনিক বর্জ্য পরিবেশের জন্য বড় হুমকি। এটি হ্রাস করার অন্যতম উপায় হতে পারে পুরোনো পণ্যগুলোকে নতুনভাবে ব্যবহার বা রিসাইকেল করা। এটা এমন হতে পারে, আপনার পুরোনো স্মার্টফোনটি একটি মিউজিক প্লেয়ার, নিরাপত্তা ক্যামেরা বা শিশুকে মনিটর করার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন অথবা একটি ল্যাপটপকে ক্রোমবুক, স্মার্ট হোম হাবসহ অন্য কাজে ব্যবহার করতে পারেন।

সঠিকভাবে রিসাইকেল করুন : পুরোনো ডিভাইস রিসাইকেল করার মাধ্যমেও আপনি ই-বর্জ্য কমাতে সাহায্য করতে পারেন। একটি নতুন ডিভাইস কেনার আগে পুরোনো ডিভাইসটি সঠিক প্রক্রিয়ায় রিসাইকেল করুন।

পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিং পণ্য :বেশিরভাগ ব্র্যান্ড এখন রিসাইকেলযোগ্য পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিং করতে শুরু করেছে। দোকানে গিয়ে পণ্য কেনার ক্ষেত্রে ক্রেতা পুনঃব্যবহার হয় এমন প্যাকেজিং করার কথা বলতে পারেন।

পরিবেশবন্ধব কুল্যান্টসহ এসি বা ফ্রিজ :এসি এবং ফ্রিজারেটর প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে তাদের পণ্যে পরিবেশবান্ধব এবং কম ক্ষতিকারক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা শুরু করেছে। তবে, সম্ভব হলে কুল্যান্টসহ পণ্য কিনুন যা সিএফসি ও এইচএফসিমুক্ত।

প্লাস্টিকের তৈরি ফোন কভার এড়িয়ে চলুন
প্লাস্টিক পৃথিবীর জন্য বিপজ্জনক। তাই প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে পলিকার্বোনেট বা চামড়ার ব্যাক কভারের ব্যবহার করতে পারেন।
বিদ্যুৎসাশ্রয়ী পণ্য :পরিবেশ ও বিদ্যুৎ খরচ বাঁচাতে কম শক্তি খরচ করে এমন ডিভাইস কিনুন।

বিষয় : ডিজিটাল পণ্য পরিবেশবান্ধব ডিভাইস পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিং

মন্তব্য করুন