ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

স্মার্ট নেটওয়ার্কে বাংলালিংক

স্মার্ট নেটওয়ার্কে বাংলালিংক

কবির হাসান

প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ০৬:০৮

সবার জন্য ফোরজি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ইন্টারনেট সেবাকে বাংলালিংক সারাদেশে ছড়িয়েছে। ডিজিটাল অপারেটরটি তার নেটওয়ার্ক পরিধিকে দুই গুণ বাড়ানোর সঙ্গে সারাদেশে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করেছে। 
দেশে ফোরজি সেবাগ্রহীতার সংখ্যাও মোট জনসংখ্যার অর্ধেক এখন। কিছুদিন আগেও যা ছিল মোট জনসংখ্যার ১০ ভাগের ১ ভাগ। গত দেড় বছরে অপারেটরটি ৪ হাজার ৭০০ মোবাইল টাওয়ার স্থাপন করেছে। ফলে দেশে বাংলালিংকের মোট মোবাইল টাওয়ারের সংখ্যা এখন ১৫ হাজার ছাড়িয়েছে। আর গ্রাহক সংখ্যা ৪ কোটি ৩০ লাখে পৌঁছানোর পেছনে দেশজুড়ে নেটওয়ার্ক ভূমিকা রেখেছে।
দ্রুত নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে বাংলালিংক অন্য মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ অবকাঠামো নির্মাণ নিশ্চিত করেছে। যৌথ অবকাঠামোর ধারণাটি অপারেটরকে উপকরণের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার সঙ্গে টেকসই মোবাইল নেটওয়ার্ক তৈরিতে সহায়তা করেছে।
সারাদেশে ছড়ানো নেটওয়ার্ক ও মানোন্নত ডিজিটাল সেবা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে বাংলালিংক। মাত্রই টেলিটক ব্র্যান্ডের সঙ্গে যৌথভাবে জাতীয় রোমিং সেবার ফিল্ড ট্রায়াল চালু করেছে। ফলে দুই সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান একে অপরের নেটওয়ার্ক ব্যবহারের সুবিধা নিতে পারছে। উদ্ভাবনী টেলিযোগাযোগ 
সেবা সম্প্রসারণে বাংলাদেশ নতুন দিগন্তের পথে এগোচ্ছে।
সামিট কমিউনিকেশনসের কাছে দুই হাজার মোবাইল টাওয়ার বিক্রি করেছে বাংলালিংক। ফলে সেবাদাতার নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনায় গুণগত মান বেড়েছে। সারাদেশে মোবাইল নেটওয়ার্ক বাড়ানো ও রক্ষণাবেক্ষণ সহজ হয়েছে। একই সঙ্গে বিনোদন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল সেবার চাহিদা পূরণে কোম্পানিটি ডিজিটাল সেবার মানোন্নয়নে আরও মনোযোগী হতে পারবে বলে অপারেটর সূত্রে জানানো হয়।
সারাদেশে নেটওয়ার্ক কাভারেজ সম্প্রসারণে সব মোবাইল অপারেটরকে পরিবেশগত বিষয়ে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। 
নিচু ব-দ্বীপ ও ভৌগোলিক অবস্থান হওয়ার কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলে বসবাসরত মানুষের সঙ্গে রাজধানীবাসীও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবমুক্ত নয়।
কার্বন নিঃসরণ হ্রাস ও সবুজ শক্তি উৎপাদনের প্রচারে মোবাইল অপারেটররা সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। 
গত ছয় বছরে পরিবেশগত দায়িত্বের প্রতি অঙ্গীকার হিসেবে অপারেটরটি এক লাখ টন কার্বন নিঃসরণ কমিয়েছে বলে জানানো হয়।
উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবার আওতায় দেশের সব মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে ন্যাশনাল রোমিং এখন সচল। 
অন্যদিকে সম্ভাব্য সব রকমের কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সব অপারেটরকে একযোগে কাজ করতে হবে। সমন্বিতভাবে টেকসই নেটওয়ার্ক ছড়ানো ও ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ নির্মাণে প্রযুক্তিগতভাবে মানোন্নত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে টেলিকম 
খাত দেশের অপরিহার্য শক্তি।  

আরও পড়ুন

×