বাংলাদেশে অফিস খোলার পরিকল্পনা নেই ফেসবুকের

প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯      

বিশেষ প্রতিনিধি

ফেসবুকের দক্ষিণ এশিয়ার পাবলিক পলিসি ডিরেক্টর শিবনাথ থাকরাল বলেছেন, বাংলাদেশে অফিস খোলার কোনো পরিকল্পনা নেই ফেসবুকের। তবে বাংলাদেশের জন্য একজন পাবলিক পলিসি ম্যানেজার নিয়োগ দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ তথ্য জানান তিনি।

শিবনাথ থাকরাল বলেন, আইনি কাঠামোর আওতায় এবং ফেসবুকের নীতিমালা অনুসরণ করেই বিভিন্ন দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য সহায়তা দিচ্ছে ফেসবুক। বাংলাদেশেও একই প্রক্রিয়ায় তথ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। গ্রাহকের তথ্যের সুরক্ষা ফেসবুকের নীতিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হয় বলেও তিনি জানান।

ফেসবুকের দক্ষিণ এশিয়ার এই পাবলিক পলিসি ডিরেক্টর বলেন, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ফেসবুক ২২০ কোটি ভুয়া অ্যাকাউন্ট অপসারণ করেছে। 

মতবিনিময়ে আরও অংশ নেন ফেসবুকের পলিসি কমিউনিকেশন ম্যানেজার এমি সোয়িতা লাফারভ ও পাবলিক পলিসি ম্যানেজার বরুন রেড্ডি। ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড সম্পর্কে সাংবাদিকদের অবহিত করেন বরুন রেড্ডি।

বরুন রেড্ডি জানান, ফেসবুকের নিজস্ব কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড নীতি অনুসারে কোন ধরনের কনটেন্ট বা বিষয়বস্তু ব্যবহারকারীর টাইমলাইনে থাকবে কিংবা থাকবে না, তা নির্ধারণ করা হয়। সাধারণভাবে তিনটি স্ট্যান্ডার্ডকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। এগুলো হচ্ছে 'হেট স্পিচ', 'টেরোরিজম' ও 'ভায়োলেন্স অ্যান্ড ইনসাইটমেন্ট'। কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ না হওয়ায় গত জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে স্পামিংয়ের জন্য ১৮০ কোটি কনটেন্ট, হেট স্পিচের জন্য ৪০ লাখ, অ্যাডাল্ট নুডিটির জন্য ১৯ কোটি ৪০ লাখ, সন্ত্রাসবাদ প্রচারণার জন্য ৬০ লাখ ৪০ হাজার এবং গ্রাফিক ভায়োলেন্সের জন্য ৩৩ কোটি ৬০ লাখ, সাইবার বুলিংয়ের জন্য ২০ লাখ ৬০ হাজার এবং চাইল্ড নুডিটির জন্য ৫০ কোটি ৪০ হাজার কনটেন্ট অপসারণ করেছে ফেসবুক। এ সময়ে ২২০ কোটি ভুয়া অ্যাকাউন্ট অপসারণ করা হয়েছে। 

তিনি জানান, ৯৮ শতাংশ ক্ষেত্রে ফেসবুক নিজের দায়িত্বেই কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এমন কনটেন্ট এবং ভুয়া অ্যাকাউন্ট সরিয়ে দিয়েছে। দুই শতাংশ ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের রিপোর্টের ভিত্তিতে পর্যবেক্ষণের পর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।