মৌলিক অধিকার হিসেবে ইন্টারনেটকে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি

প্রকাশ: ১৬ নভেম্বর ২০১৯     আপডেট: ১৬ নভেম্বর ২০১৯      

 সমকাল প্রতিবেদক

ইন্টারনেটকে দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে সংবিধানে অন্তর্ভূক্ত করার দাবি জানানো হয়েছেে।

শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরামের উদ্যোগে 'এক বিশ্ব, এক ইন্টারনেট, এক স্বপ্ন' শীর্ষক সেমিনারে এ দাবি ওঠে।

বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরামের সভাপতি ও সংসদ সদস্য হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার।

মন্ত্রী বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ফলে আগামী বিশ্বকে নিতে হবে বহুবিধ চ্যালেঞ্জ। ২০২১ সালের মধ্যে আমাদেরকে ৫জি টেকনোলজির ব্যবহার করতে হবে এবং ইন্টারনেটের আওতায় সারা দেশকে যুক্ত করা হবে। উন্নত দেশগুলো চতুর্থ শিল্প বিপ্লবকে ভালোভাবে মোকাবেলা করলেও তা হবে বাংলাদেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। উন্নত দেশগুলো এই শিল্প বিপ্লবে টিকে থাকবে কিন্তু উন্নয়নশীল দেশগুলোকে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। আমদেরকে টেকনোলজিক্যালি আরো অগ্রসর হতে হবে এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে হবে।

এ সময় হাসানুল হক ইনু বলেন, সংবিধানে মানুষের মৌলিক অধিকারের সঙ্গে ইন্টারনেট ব্যবহারকে এখন মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। এখানে সরকারকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবেলায় ডিজিটাল ও মিডিয়া লিটারেসির পাশাপাশি গোটা শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন আনতে হবে।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্যে বিআইজিএফ পলিসি রিসার্চ ফেলো এইচ এম বজলুর রহমান বলেন, আমাদের এবারের ফোকাস হলো- ডাটা গভর্নেন্স, ডিজিটাল ইনক্লুশান এবং সিকিউরিট, সেফটি, স্ট্যাবিলিটি এবং রেজিলেন্স। তাছাড়াও এই কর্মসূচিকে আরো সমৃদ্ধ করবে কমিউনিটিভিত্তিক বেস্ট প্র্যাকটিস ফোরাম অন বিগ ডাটা, ইন্টারনেট অফ থিংস এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, সাইবার সিকিউরিটি, জেন্ডার এন্ড একসেস এবং লোকাল কনটেন্ট। এমনকি ১৮টি মাল্টি-স্টেকহোল্ডারের ডাইনামিক কোয়ালিশনের কাজ এবং ১১৬টি জাতীয় এবং আঞ্চলিক ইন্টারনেট গভর্নেন্সের বিভিন্ন উদ্যোগ রয়েছে।