ঢাকা সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪

আইফোন বিস্ময়!

আইফোন বিস্ময়!

সাব্বিন হাসান

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১৮:০০ | আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ০৫:৪৬

আইফোন ১৫ সিরিজের প্রো ও প্রো ম্যাক্স মডেলের আলোচিত বৈশিষ্ট্য অ্যাপল ‘এ১৭’ বায়োনিক চিপসেট। অন্যদিকে অ্যাপল ‘এ১৬’ বায়োনিক চিপসেট আছে আইফোন ১৫ আর আইফোন ১৫ প্লাস মডেলে। ফোনে দৃষ্টি কেড়েছে ডায়নামিক আইল্যান্ড ফিচার। ক্যামেরায় আছে ৪৮ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি ক্যামেরা সেন্সর। 

গুজবকে সত্য প্রমাণ করে সি-টাইপ ইউএসবি পোর্টে হাজির হয়েছে নতুন আইফোন। আইফোন ১৫ সিরিজের প্রো আর প্রো ম্যাক্স মডেলের অন্যতম আকর্ষণ প্রোগ্রামেবল অ্যাকশন বাটন। অভিনব ফিচারটি অ্যাপল ওয়াচ আলট্রার মধ্যেও বিদ্যমান। আইফোন ১৫ প্রো ও আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্স মডেলে যুক্ত হয়েছে ইউএসবি টাইপ-সি চার্জিং পোর্ট। প্রো ম্যাক্স মডেলে আছে পেরিস্কোপ ক্যামেরা। ফলে জুম ফিচার আরও ঈর্ষণীয় মানে পৌঁছাবে।

অ্যাপল ওয়াচ

অ্যাপল ব্র্যান্ডের ওয়ান্ডারলাস্ট ইভেন্টে আত্মপ্রকাশ করে অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ৯ এবং অ্যাপল ওয়াচ আলট্রা ২ সংস্করণ। সিস্টেমে আছে ওয়াচওএস ১০ সমর্থিত অ্যাপল ব্র্যান্ডের নতুন দুটি স্মার্টওয়াচ। ইসরোর তৈরি ‘নাবিক’ এবার চালানো যাবে আইফোন ১৫ মডেলে। সর্বশেষ ওয়ান্ডারলাস্ট অনুষ্ঠানের উন্মাদনার পর্দা ওঠে অ্যাপল ব্র্যান্ডের নব্য সদস্যের ওপর থেকে। সূত্র বলছে, প্রথমবার ভারতের ‘নাবিক’ চালানো যাবে আইফোনে। জিপিএস সিস্টেমের বিকল্পই হচ্ছে নাবিক।

প্রসঙ্গত, জিপিএস সিস্টেমের বিকল্প খুঁজতেই নাবিক চালু করে ইসরো। উল্লিখিত ব্যবস্থার প্রসারে বদ্ধপরিকর ছিল মোদি সরকার, যা নিয়ে অ্যাপলের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সভাও অনুষ্ঠিত হয়। তাই এবার আইফোন ১৫ সিরিজে নাবিক চালানো যাবে বলে খবরে প্রকাশ। নাবিকের কোন কোন ফিচার আইফোনে কাজ করবে, তা নিয়ে খুব একটা স্পষ্টতা আপাতত নেই। জানা যাচ্ছে, আইফোন ১৫ ও আইফোন ১৫ প্লাস মডেলে কাজ করবে না নাবিক সিস্টেম। তবে আইফোন ১৫ প্রো ও প্রো ম্যাক্স মডেলে অনায়াসে কাজ করবে নাবিক।

ভারতের আটটি কৃত্রিম উপগ্রহের সহায়ক হিসেবে নাবিক কাজ করে। কারগিল যুদ্ধের সময় উপগ্রহ চিত্রের জন্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে সহায়তা চেয়েও হতাশ হয় ভারত। তার পর থেকেই নিজস্ব জিপিএস তৈরির পরিকল্পনা করে ভারত সরকার। দীর্ঘ পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়ন অবশেষে দৃশ্যমান। ভারত ও এর চারপাশে নজর রাখতে পারে নাবিক।

ইসরো দাবি করছে, জিপিএস সিস্টেমের তুলনায় বহুগুণে নিখুঁত ভারত নির্মিত নাবিক। ইসরো উদ্ভাবিত সব স্যাটেলাইট ২০১৮ সালে কাজ করতে শুরু করেছিল। তারই ধারাবাহিকতায় গত বছর থেকেই স্মার্টফোন নির্মাতার সঙ্গে ভারত সরকার আলোচনা শুরু করে, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল তাদের ফোন যেন নাবিক ‘সাপোর্ট’ করে। অন্যদিকে প্রত্যাশামতো আইফোন ১৫ সিরিজে টাইপ ‘সি’ চার্জার যুক্ত হয়। সি চার্জার দিয়ে ম্যাক, আইপ্যাড, আইফোন চার্জ করা যাবে অনায়াসেই। শুধু তাই নয়, সি-টাইপ চার্জার দিয়ে এয়ারপডস প্রো মডেলে চার্জ দেওয়া যাবে। এতদিন আইফোনে লাইটনিং পোর্ট ছিল। তাই দীর্ঘদিন ধরে আইফোনে টাইপ ‘সি’ চার্জার সমর্থনের দাবি ওঠে। অবশেষে সে দাবি শতভাগ পূরণ হলো। যারা নতুন আইফোন ১৫ চূড়ান্ত করেছেন, তারা নতুন হ্যান্ডসেটটি আনবক্স করার পরেই জানতে পারবেন, আইফোন ১৫ সিরিজ আসলে কী কী সুবিধায় সমৃদ্ধ। ইউএসবি-সি চার্জিং, ফলে হ্যান্ডসেট চার্জিং সীমাবদ্ধতা দূর হলো। অ্যাপল নির্মিত পরের সব মডেলেই সি-টাইপ চার্জার থাকবে বলে খবরে প্রকাশ।

তারহীন (ওয়্যারলেস) চার্জিংয়ে যারা অল-ইন করার পরিকল্পনা করেছেন, তাদের সুসংবাদ দিল আইফোন। অ্যাপল এয়ারট্যাগ থেকে ওয়্যারলেস হেডফোন থেকে ফোন কেস– সবকিছুতেই পরিবর্তন দৃশ্যমান। অ্যাপল উদ্ভাবিত চারটি আইফোন মডেল থেকে রং আর গুণের বৈশিষ্ট্যে টিম কুক নিজের জন্য আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্স মডেল চূড়ান্ত করেছেন।

উদ্বোধনী মঞ্চে বর্ণিল রঙের আইফোন হাতে হাজির হন অ্যাপল সিইও টিম কুক। দৃশ্যমান মডেল দেখে প্রথমে মনে হয়েছিল, এটি আইফোন ১৫ প্রো। কিন্তু মডেলটি আসলে ছিল আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্স। উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে টিম জানালেন, আমি এটি ভালোবাসি। কিন্তু আমি আপনাকে বলছি, রঙের বৈচিত্র্য থেকে মডেল নির্বাচন করা ছিল কঠিন সিদ্ধান্ত। অবশ্যই এটি একটি কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল। কারণ, নীল সত্যিই আমার চোখের দৃষ্টি কেড়েছিল।

সাদা সত্যিই আমার চোখ আপ্লুত করে। আর কালো রঙে আমি মুগ্ধ হই। তাহলে সমাধান কী, যা খুঁজতেই আমি রীতিমতো সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগেছি। কথার আরেক অংশে কুক বলেন, তিনি প্রাকৃতিক টাইটানিয়ামের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সুতরাং এটি কঠিন ছিল, কিন্তু আমি অবশেষে এতেই সম্মতি দিয়েছে।

আরও পড়ুন

×