ক্যান্সার জয় করে মাঠে ফিরলেও পুরনো ফর্মে আর ফিরতে পারেননি ভারতের ২০১১ বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক যুবরাজ সিং। টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার পাওয়া যুবরাজ ক্যান্সার জয় করে ফেরার পর দলে অনিয়মিত হয়ে পড়েন। ওয়ানডে কিংবা টি-২০ ফরম্যাটে দারুণ ঝলক দেখিয়ে দলে থিথু হওয়ার আভাস দিলেও জায়গা আর পাকা করতে পারননি যুবি।

তবে ভারতের দুই অধিনায়ক মাহেন্দ্র সিং ধোনি এবং বিরাট কোহলি সমর্থন দিলে হয়তো এতো দ্রুত ফুরিয়ে যেতেন না এই স্পিন অলরাউন্ডার। তেমনই এক ইঙ্গিত দিলেন এই তারকা। বললেন, সৌরভ গাঙ্গুলি তাকে যেভাবে পাশে থেকেছেন। ধোনি কিংবা কোহলিকে সেভাবে পাশে পাননি তিনি।

যুবরাজকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শেষ দেখা গেছে ২০১৭ সালে। ১ ফেব্রুয়ারি বেঙ্গালুরুতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে  টি-২০ ম্যাচে ১০ বলে করেছিলেন ২৭ রান। তিনটি ছক্কার সঙ্গে খেলেছিলেন একটি চারের শট। একদিনের ক্রিকেটে শেষ তাকে দেখা যায় ওই বছরের ৩০ জুন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নর্থ সাউন্ডে ৫৫ বলে করেছিলেন ৩৯। যাতে ছিল চারটি চারের মার। দুই ফরম্যাটেই যুবিকে শেষ দেখা গেছে বিরাট কোহালির নেতৃত্বে।

যুবির বাবা যোগরাজ সিং অতীতে বার বার অভিযোগ করেছেন মাহেন্দ্র সিংহ ধোনির বিরুদ্ধে। ছেলের ক্যারিয়ার বিকশিত হওয়ার পথে নানাভাবে ধোনি কাঁটা ছড়িয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি। তবে যুবরাজ কখনো তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। তবে সম্প্রতি যুবির এক মন্তব্য যোগরাজের বলা কথাগুলোর সঙ্গে এক সুরে বেজে উঠেছে।

মহেন্দ্র সিংহ ধোনি বা বিরাট কোহালি নন, যুবরাজের মতে, তার ক্যারিয়ারের সেরা অধিনায়ক হলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, 'মাহি বা বিরাটের থেকে তেমন সাহায্য আমি পাইনি।' অর্থাৎ, সৌরভের কাছে যে ধরনের উৎসাহ-অনুপ্রেরণা-সাহায্য যুবরাজ পেয়েছেন, তা পরবর্তীকালে দুই জাতীয় দলেল অধিনায়ক ধোনি ও কোহালির থেকে তিনি পাননি।