ঢাকা মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪

ইনক্লুসিভ ডিজিটাল ফিউচার গবেষণা

ইনক্লুসিভ ডিজিটাল ফিউচার গবেষণা

.

আইসিটি ডেস্ক

প্রকাশ: ২৭ নভেম্বর ২০২৩ | ১৫:৩৩ | আপডেট: ২৮ নভেম্বর ২০২৩ | ২২:১০

গ্রামীণফোন, টেলিনর, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল নরওয়ের অংশীদারিত্বে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সার্ভে পরিচালিত হয়। যার লক্ষ্য ছিল আটটি প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত কমিউনিটির জনগোষ্ঠীর জীবনাচরণ, প্রতিকূলতা ও জরুরি বিষয়ে আলোকপাত করা। ২০২৪ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হওয়া প্রকল্পের উদ্দেশ্য ২৩ লাখ মানুষকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা। জরিপে সংশ্লিষ্ট ছিলেন সরকার, একাডেমিয়া, আন্তর্জাতিক ও বেসরকারি সংস্থা, প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগী অংশীদার প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

উল্লিখিত প্রকল্পের লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে ডিজিটাল সাক্ষরতা বাড়ানো; ইন্টারনেট নিরাপত্তা জোরদার করা। সুপরিসরে পরিচালিত সার্ভের মাধ্যমে এ প্রকল্প যাত্রা শুরু করে। আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের জন্য নাগরিকদের প্রস্তুত করে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে অংশ নিতে ডিজিটাল স্মার্ট নাগরিক তৈরি করতে হবে। স্মার্ট নাগরিকদের হাতে তাদের নিজস্ব সমাধান থাকে।

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোস জাতীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয়তা হিসেবে ডিজিটাল সচেতনতার গুরুত্ব উপস্থাপন করেন। গবেষণা, প্রশিক্ষণ, উদ্যোগ গ্রহণ ও জ্ঞান প্রচারে পদ্ধতিগত রূপরেখা নিয়েও কথা বলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তানিয়া হক এবং সিএএমপিই বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে কাজ করতে বেজলাইন জরিপের ফলাফলে জোর দেন এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ডিজিটাল সাক্ষরতা ও দক্ষতার তাৎপর্যের ওপর আলোকপাত করেন। 

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল ও জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থার সহযোগিতায় কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং সবার জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন নিশ্চিতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও নারীদের ক্ষমতায়নে গ্রামীণফোনের প্রতিশ্রুতি আবারও পুনর্ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন

×