অঙ্কারায় বেইজিং দূতাবাসের বাইরে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন উইঘুর প্রবাসীরা। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের তুরস্ক সফরের বিরুদ্ধে সম্প্রতি এ প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে অংশ নিয়েছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও।

উইঘুর পরিবারগুলোর সঙ্গে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন তুরস্কের ‘চীনবিরোধী’ লোকজনও। যারা চীনের ক্ষমতাসীন দল কমিউনিস্ট পার্টির (সিসিপি) হাতে বিভিন্নভাবে নৃশংসতার শিকার হচ্ছেন প্রতিনিয়ত।

আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, তুর্কি মুসলিম সংখ্যালঘুরা একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, তারা চীনের শিনজিয়াংয়ের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে নিজেদের আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না।

বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ছিলেন, ডেমোক্র্যাট পার্টির নেতা গুলতেকিন উসাল, ফিউচার পার্টির ডেপুটি চেয়ারম্যান সেলকুক ওজড্যাগ, গুড (আইওয়াইআই) পার্টির ডেপুটি ফারাহেথিন ইয়োকাস এবং সাদেত (ফ্যালিসিটি) পার্টির ডেপুটি আবদুল কাদির কারাদুমানও।

পূর্ব তুর্কিস্তান ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির প্রধান সেয়িত টুমথার্কও এ প্রতিবাদে অংশ নিয়েছেন। তবে তিনি করোনাভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কার কারণে শারীরিকভাবে অংশ নিতে পারেননি। ভার্চুয়ালি বিবৃতি দিয়েছেন তিনি।

গুলতেকিন উসাল বলেন, আমাদের অবশ্যই চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ে; যিনি বর্তমানে অঙ্কারায় অবস্থান করছেন, এছাড়া চীনা প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। আমাদের সাইপ্রাসের মতো, আজারবাইজানের সংগ্রামের মতো পূর্ব তুর্কিস্তানের অধিকারের চেষ্টাও করতে হবে।

শিনজিয়াংকে পূর্ব তুর্কিস্তানও বলা হয়। মূলত অঞ্চলটির স্বাধীনতার সমর্থকরা একে পূর্ব তুর্কিস্তান বলেন। এসময় চীনকে উইঘুরদের অধিকার রক্ষার বিষয়ে সাড়া দেওয়ার আহ্বানও জানান গুলতেকিন উসাল।

বিক্ষোভে ফিউচার পার্টির ওজড্যাগ বলেন, চীন একটি দুর্দান্ত দেশ। অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী একটি দেশ। যদি এটি এত বড় দেশ হয়, তবে অবশ্যই তার সংবিধান মেনে চলতে হবে।