ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

বাংলাদেশে ফাইভ-জি রেডিনেস প্রকল্পের যাত্রা 

বাংলাদেশে ফাইভ-জি রেডিনেস প্রকল্পের যাত্রা 

বিটিসিএল-হুয়াওয়ে কারিগরি সেবা চুক্তি করছেন কর্মকর্তারা

আইসিটি ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ নভেম্বর ২০২৩ | ২২:৪২ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর ২০২৩ | ২২:৪৭

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) ফাইভ-জি রেডিনেস প্রকল্প দীর্ঘসূত্রিতার পর যাত্রা শুরু করল। দরপত্রের সব ধরনের নিয়ম মেনে প্রকল্পে সরঞ্জাম সরবরাহের কাজ পেয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে।

ইতোমধ্যে বিটিসিএল-হুয়াওয়ে কারিগরি সেবা চুক্তি সম্পন্ন করেছে। ফলে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ফাইভ-জি রেডিনেস প্রকল্পের অংশীদার এখন হুয়াওয়ে। সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে বহুল আলোচিত প্রকল্পের কাজ পেল প্রতিষ্ঠানটি। ফলে সরকারের অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় ১৩৭ কোটি টাকা কমে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করবে হুয়াওয়ে।

সরকারি দরপত্রে জানা গেছে, আর্থিক প্রস্তাব উন্মোচন এবং নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড (এনওএ) বা কার্যাদেশ দেওয়ার পর সর্বোচ্চ ২৮ দিনের মধ্যে চুক্তিবিষয়ক সব কাজ সম্পন্ন করতে হবে। শর্তে সর্বনিম্ন কোনো সময়সীমা উল্লেখ ছিল না। যেহেতু আগেই দরপত্রের কারিগরি সব মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়, যথাযথ কারণে আর্থিক প্রস্তাব উন্মোচনের কম সময়ের মধ্যেই দরপত্রের আর্থিক মূল্যায়নের সব কাজ শেষ করতে সক্ষম হয় সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, আর্থিক মূল্যায়ন অনুমোদন পাওয়ার পর ১৩ নভেম্বর বিটিসিএল পরিচালনা পর্ষদের ২১৬তম সভায় হুয়াওয়ের ক্রয় প্রস্তাবটি অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়। পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠানের সঙ্গে মূল্যায়নের কাজ সম্পন্নের কোন সম্পর্ক নেই। মূল্যায়ন কমিটি বিধি অনুযায়ী মূল্যায়ন সম্পন্নপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করেন। যেহেতু মূল্যায়ন কমিটির প্রতিবেদন দাখিলের পর পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়, তাই বিষয়টি সেখানে উপস্থাপিত হয়। পরে পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন সাপেক্ষে হুয়াওয়েকে নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড (এনওএ) বা কার্যাদেশ দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, সব ধরনের নিময়-কানুন অনুসরণ করে গত ১৯ নভেম্বর হুয়াওয়ের সঙ্গে যন্ত্রাদি সরবরাহের চুক্তি করে বিটিসিএল। চুক্তিপত্রে বিটিসিএল’র হয়ে চুক্তি সই করেন প্রকল্প পরিচালক মনজির আহম্মেদ। অন্যদিকে হুয়াওয় ব্র্যান্ডের তরফে চুক্তিতে সই করেন হুয়াওয়ে ইন্টারন্যাশনালের বিজনেস ডিরেক্টর চেন-শি ও হুয়াওয়ে টেকনোলোশিস বাংলাদেশের চিফ অপারেটিং অফিসার হু-ইওয়ি।

বিটিসিএল প্রধান কার্যালয়ে (বিটিসিএল) চুক্তিতে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিটিসিএল ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আনোয়ার হোসেন, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) সঞ্জিব কুমার ঘটক, ডিএমডি মো. আনসার আলী ও ডিএমডি মো. জিয়াদুল আনাম, হুয়াওয়ে ইন্টারন্যাশনালের সল্যুশন ম্যানেজার শিয়াও লংগ্যাং এবং হুয়াওয়ে টেকনোলজিস বাংলাদেশের অ্যাকাউন্ট ডিরেক্টর গো উয়ো ও অ্যাকাউন্ট রেসপন্সিবল মঈনুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে ফাইভ-জি রেডিনেস প্রকল্পের চুক্তি প্রসঙ্গে হুয়াওয়ে বাংলাদেশের অ্যাকাউন্ট রেসপন্সিবল মঈনুল হাসান বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকারের সঙ্গে কাজ করতে হুয়াওয়ে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সুদীর্ঘ ২৫ বছর ধরেই বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আইসিটি খাতের মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি আমরা।

আরও পড়ুন

×