সেন্সর ও মেগাপিক্সেল (এমপি) সংখ্যা ক্যামেরার মান বিচার করার জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ। ক্যামেরার সেন্সরে মেগাপিক্সেল গণনা যত বেশি, তত পুঙ্খানুপুঙ্খ ছবি তোলা সম্ভব। তরুণরা উচ্চ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা এবং অন্যান্য উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যযুক্ত একটি স্মার্টফোন সবসময় প্রত্যাশা করেন। তরুণ প্রজন্মের চাহিদা মেটাতে রিয়েলমি বাজারে নিয়ে আসছে ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা সম্বলিত নতুন ফ্ল্যাগশিপ ফোন রিয়েলমি ৮ প্রো। প্রথমবারের মতো রিয়েলমি স্মার্টফোনে ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা পাওয়া যাচ্ছে এবং বর্তমানে স্মার্টফোন বাজারে ব্যবহৃত সর্বোচ্চ পিক্সেল এটি।

এ উপলক্ষে সম্প্রতি বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ১০৮ মেগাপিক্সেল ফটোগ্রাফি এক্সিবিশনের আয়োজন করে রিয়েলমি। এক্সিবিশনে সামাজিক-দূরত্ব বজায় রেখে অংশ নেন সীমিত সংখ্যক রিয়েলমি ফ্যান। এক্সিবিশনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল, “৫০ বছরের তরুণ বাংলাদেশ এবং তারুণ্যের জীবন”। এক্সিবিশনের প্রতিটি ছবিই ধারণ করা হয় রিয়েলমি ৮ প্রো দিয়ে, যেখানে বাংলাদেশের পাশাপাশি, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তারুণ্যের প্রেক্ষাপট ছবিতে তুলে ধরা হয়। 

বাংলাদেশে তরুণদের বেশ কিছু ছবি রিয়েলমি ৮ প্রো দিয়ে ধারণ করেছেন খ্যাতনামা আলোকচিত্রী হাদি উদ্দিন। তার ছবিগুলোতে তারুণ্যের রঙিন জীবন রংয়ের খেলায় ফুটে উঠেছে। ছবিটি প্রতিটি খুঁটিনাটি উঠে এসেছে রিয়েলমি ৮ প্রো এর ১০৮ মেগাপিক্সেল আলট্রা ওয়াইড ক্যামেরার মাধ্যমে।

এছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আলোকচিত্রীরা রিয়েলমি ৮ প্রো দিয়ে তুলে ধরেছেন তরুণদের নব জীবন এবং চেতনা। প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া একজন রিয়েলমি ফ্যান বলেন, “স্মার্টফোন দিয়ে ফটোগ্রাফি নিত্যদিনের অনুষঙ্গ। এখানে এসে দেখতে পাচ্ছি এক একটি ছবি ১০ ফিটেরও বেশি উচ্চতায় প্রিন্ট করে প্রদর্শিত হচ্ছে। তারপরও প্রতিটি ছবিই একদম পরিষ্কার। রিয়েলমি ৮ প্রো’র ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা যে অত্যন্ত শক্তিশালী সেটাই ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছি।” আরেকজন রিয়েলমি ফ্যান বলেন, “রিয়েলমি ৮ প্রো’র ক্যামেরা ভালো তো হবেই কারণ এটির মেইন সেন্সর ১০৮ মেগাপিক্সেলের। আমার এর পাশাপাশি আউটলুকটা খুবই ভালো লেগেছে, দেখতে একদম ইউনিক, ব্যাকশেলে ক্রিস্টাল একটা ডিজাইন, খুবই প্রিমিয়াম একটা লুক।”

রিয়েলমি ৮ প্রো-র ১০৮ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারী ক্যামেরায় আছে তৃতীয় প্রজন্মের আইসোকেল এইচএম২ সেন্সর, ১/১.৫২ ইঞ্চির বৃহৎ সেন্সর এবং ১২০০০×৯০০০ রেজোলিউশন। এটি বর্তমান বাজারের আলট্রা-থিন অবয়বের সবচেয়ে ট্রেন্ডি ফোন। এছাড়া এফ/২.২৫ অ্যাপারচার, ৮মেগাপিক্সেল রেজোলিউশন এবং ১১৯° আল্ট্রা-ওয়াইড-এঙ্গেল লেন্স থাকার কারণে ছবি তুলতে পেছনে ঝোঁকার প্রয়োজন হবে না। আলট্রা-ম্যাক্রো লেন্স ব্যবহারকারীদের নিকটবর্তী অবস্থান থেকে মাইক্রো ওয়ার্ল্ডের সৌন্দর্য আবিষ্কার করতে সক্ষম করবে। নতুন রঙের ফিল্টার সিস্টেম পোর্ট্রেট লেন্সকে আলো সনাক্ত করতে সক্ষম করে এবং প্রতিকৃতিতে টেক্সচার যুক্ত করতে প্রাইমারী লেন্সকে সহায়তা করে। এগুলো ছাড়াও সুপার নাইটস্কেপ, ৩এক্স ইন-সেন্সর জুম, স্টারি টাইম ল্যাপস ভিডিও এবং টিল্ট-শিফট মোডের মতো বৈশিষ্ট্যগুলো রিয়েলমি ৮ প্রো-র ক্যামেরাকে অতুলনীয় করে তুলেছে।  

‘স্লিম অ্যান্ড লাইট’ ধারণার দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে রিয়েলমি মাত্র ১৭৬ গ্রাম ওজন এবং ৮.১মিমি ঘনত্ববিশিষ্ট রিয়েলমি ৮ প্রো বাজারে আনতে যাচ্ছে। এই ফোনটি ফ্যাশন-ফরোয়ার্ড কারণ ট্রেন্ডসেটিং ডিজাইন দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে এই স্মার্টফোনের নকশা তৈরি করা হয়েছে। ৩ এপ্রিল বেলা ১২টায় লঞ্চ হতে যাচ্ছে রিয়েলমি ৮ প্রো। লাইভ লঞ্চ ইভেন্টে অংশ নিয়ে নতুন রিয়েলমি স্মার্টফোন জিতে নিতে ক্লিকঃ https://rebrand.ly/realme_8Pro_1st_Photo_Exhibition_Launch। 


মন্তব্য করুন