কনটেন্ট কীভাবে দেখানো হবে- সে বিষয়ে পরিবর্তন আনছে ইনস্টাগ্রাম। সম্প্রতি গাজা সংঘাত চলার সময় ইনস্টাগ্রামের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের পক্ষের বার্তাগুলো প্রকাশ বন্ধের অভিযোগ ওঠে। তার পরপরই এ পরিবর্তনের খবর জানালো ছবি শেয়ারিং সাইটটি।

এতোদিন নিজেদের ‘স্টোরিজ’ অংশে আগে থেকে বিদ্যমান, রি-শেয়ারড পোস্টের চেয়ে মৌলিক কনটেন্টকেই বেশি প্রাধান্য দিত ইনস্টাগ্রাম। ফলে রি-শেয়ারড কনটেন্ট ছড়াতো কম।   

গাজায় সংঘাত চলার সময়কালে সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে দুই পক্ষই। অনেক প্রো-ফিলিস্তিনি বার্তাই রি-শেয়ারড বা পুনরায় শেয়ার হওয়ার কারণে সেগুলো মূল পোস্টের চেয়ে কম ‍প্রাধান্য পেয়েছে।

বর্তমানে বিদ্যমান প্রক্রিয়াটি কিছু কিছু পোস্টে 'প্রত্যাশার চেয়েও বড় প্রভাব' ফেলেছে বলে জানিয়েছে ইনস্টাগ্রাম। ছবি শেয়ারিং প্লাটফর্মটি আরও জানিয়েছে, এটি বিশেষ কোনো দৃষ্টিভঙ্গিকে সেন্সরের প্রচেষ্টা ছিল না, এটি ছিল মূলত অপ্রত্যাশিত এক পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া।

এ প্রসঙ্গে ইনস্টাগ্রামের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘মানুষ এ কারণে মনে করেছে যে, আমরা সুনির্দিষ্ট একটি বিষয় বা দৃষ্টিভঙ্গির স্টোরিজকে দমিয়ে রাখছি। আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই- এরকম কিছু ঘটেনি।’

তিনি আরও বলেন, 'স্টোরিজে রি-শেয়ারড হয়েছে এমন সব পোস্টের বেলায় বিষয়বস্তুকে আমলে না নিয়েই এমনটা ঘটেছে।'

ইনস্টাগ্রাম জানিয়েছে, নতুন পরিবর্তনটি হুট করেই চলে আসবে না, ধীরে ধীরে সময়ের সঙ্গে চোখে পড়বে।