সিইএস আসরে স্মার্ট মাস্ক দেখিয়েছিল রেজার। তখনও ‘কনসেপ্ট ডিজাইন’ পর্যায়ে ছিল গোটা প্রকল্পটি। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এ বছরের অক্টোবরেই আসছে ওই মাস্ক। তবে, শুরুতে সীমিত সংখ্যক মাস্ক বিক্রি করবে তারা। মাস্ক পরলে দেখতে কেমন লাগবে, তা-ও দেখে নেওয়া যাবে ইনস্টাগ্রামের অগমেন্টেড রিয়ালিটি ফিল্টারের মাধ্যমে।

স্মার্ট মাস্ক প্রকল্পটির অফিশিয়াল নাম ‘প্রজেক্ট হেজেল এন৯৫’। সিইএস আসরে প্রজেক্ট হেজেল এন৯৫ মাস্কের প্রটোটাইপ দেখিয়েছিল রেজার। সে সময় দেখা গেছে, মাস্কে বায়ু-চলাচলের ব্যবস্থা রয়েছে। ওই বায়ু চলাচল ব্যবস্থা গরম কার্বন নিঃসরিত বাতাস বের করে দিয়ে ঠাণ্ডা বাতাস টেনে নেবে। এ ছাড়াও স্বচ্ছ্ব প্লাস্টিকের আবরণে তৈরি হবে মাস্কটি। এতে করে মানুষের মুখ দেখে ভঙ্গিমা চোখে পড়বে, এ ছাড়াও মানুষ কী বলছেন তা-ও দেখা যাবে। রাত হয়ে গেলে বা অন্ধকার হলেও সমস্যা নেই। মাস্কের অভ্যন্তরীণ অংশে রয়েছে এলইডি লাইট, আলোক স্বল্পতা দেখলেই তা জ্বলে উঠবে।

মাস্কের চারপাশে সিলিকন এজের এয়ারটাইট সিল থাকবে। সমন্বয় করা যাবে এমন ইয়ার লুপও থাকবে। স্বস্তির জন্য ব্যবহারকারীরা মাস্কের ভেতরের বাতাসের চাপ বাড়াতে বা কমাতে পারবেন। এ ছাড়াও একাধিক আকারে আসবে মাস্কটি। খবর সিনেটের

অক্টোবরে মাস্ক কিনতে আগ্রহীদেরকে রেজারের সাইটে যেতে হবে। ওখানে সাইন আপ করে নিতে হবে শুরুতে। অনেকেই ভাবছেন মাস্ক আনতে অনেক দেরি করে ফেলেছে রেজার, এখন তো করোনাভাইরাস টিকাই চলে এসেছে। তবে, রেজার প্রধান নির্বাহী মিন-লিয়াঙ টান বলছেন ভিন্ন কথা। এ বছরের মার্চ মাসে তিনি জানিয়েছিলেন, ‘আমরা জানি, টিকা নেওয়ার পরও আপনাকে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। কারণ ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে – আপনি টিকা নিলেও আপনাকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে।’ তিনি আরও জানান, অনেক দেশেই সব জনসাধারণের টিকা নিতে এক বা দুই বছর সময় লেগে যাবে।

এখনও প্রজেক্ট হেজেল এন৯৫ এর দামের ব্যাপারে কিছু জানা যায়নি।