মাত্র ছয় ঘণ্টায় নতুন সাত কোটি ব্যবহারকারী যুক্ত হয়েছে মেসেজিং সেবা টেলিগ্রামে। টেলিগ্রামের ইতিহাসে এটা নতুন রেকর্ড। মূলত গত সোমবার সার্ভার জটিলতায় প্রায় ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ফেসবুকের মালিকানাধীন মেসেজিং সেবা হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জার। এ সময় হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারের বিকল্প হিসেবে টেলিগ্রামে যুক্ত হয় ব্যবহারকারীরা।

টেলিগ্রামের প্রধান নির্বাহী পাভেল দুরভ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বর্তমানে মেসেজিং প্ল্যাটফর্মে ফেসবুকের হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারের সঙ্গে টক্কর দিচ্ছে টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল। চলতি বছরের জানুয়ারিতে টেলিগ্রামের নিয়মিত ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫০ কোটি ছাড়িয়েছে। ক্রমেই প্ল্যাটফর্মটির ব্যবহারকারী বাড়ছে।

মজার ব্যাপার হচ্ছে, এর আগেও টেলিগ্রামে হুট করে ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে ফেসবুকের যোগসূত্রতা রয়েছে। গত জানুয়ারিতে হোয়াটসঅ্যাপের গোপনীয় নীতিমালার কারণে অনেক ব্যবহারকারী টেলিগ্রামে যুক্ত হতে শুরু করে। এতে ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা লঙ্ঘিত হতে পারে বলে শঙ্কা করা হচ্ছিল।

এদিকে মাত্র কয়েক ঘণ্টায় কোটি কোটি ব্যবহারকারী যুক্ত হতে থাকায় টেলিগ্রাম চাপ সামলাতে হিমশিম খায়। এ কারণে টেলিগ্রামের অনেক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেন, তারা কাঙ্ক্ষিত গতি পাচ্ছেন না।

বিষয়টি স্বীকার করে টেলিগ্রামের প্রধান নির্বাহী পাভেল দুরভ বলেন, কয়েক কোটি ব্যবহারকারী একসঙ্গে টেলিগ্রামে সাইনআপ করতে চাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের কিছু ব্যবহারকারী টেলিগ্রাম ব্যবহারে ধীরগতি পেয়েছে।