সন্দেহভাজন ইরানি হ্যাকাররা বেশকিছু আমেরিকান ও  ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি এবং নৌ পরিবহন সংস্থাকে আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটিতে সফলও হয়েছেন তারা। সোমবার মাইক্রোসফট জানিয়েছে, গত জুলাইয়ে ইরানি হ্যাকাররা গুপ্তচরবৃত্তি অভিযান শুরুর পর বেশকিছু কোম্পানি হ্যাকিংয়ের ঝুঁকিতে রয়েছে।    

মাইক্রোসফট জানায়, ইরানি হ্যাকারদের লক্ষ্যবস্তুতে থাকা কোম্পানির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং ইসরায়েল সরকারের সঙ্গে কাজ করে এমন প্রতিষ্ঠানও রয়েছে যারা  স্যাটেলাইট সিস্টেম, ড্রোন প্রযুক্তি এবং ‘মিলিটারি-গ্রেড রাডার’ তৈরি করে।  খবর সিএনএনের।

আমেরিকান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইবিএম জানিয়েছে, এটা সামুদ্রিক খাতে স্পর্শকাতর তথ্যের জন্য ইরানি হ্যাকার গোষ্ঠীর সর্বশেষ প্রচেষ্টা। গত বছর অন্য আরেকটি ইরানি হ্যাকাররা আমেরিকার নৌ সদস্যের সামরিক ইউনিটের তথ্য চুরি করেছিল। 

এক ব্লগ পোস্টে মাইক্রোসফট জানিয়েছে, বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট চিত্রাবলী ও জাহাজ পরিচালনা পরিকল্পনা প্রতিষ্ঠানে এই প্রবেশাধিকার অর্জন ইরানের বিকাশমান স্যাটেলাইট প্রযুক্তিকে সহায়তা করতে পারে। যদিও মাইক্রোসফট এই ঘটনার জন্য সরাসরি ইরানি সরকারি প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করেনি। তার পরিবর্তে প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, অন্য আরেকটি ইরানি হ্যাকারদের হ্যাকিং কৌশলসহ এই হ্যাকিং বিভিন্ন কারণে ইরানের ‘জাতীয় স্বার্থকে সমথন করে’। 

মাইক্রোসফট থ্রেট ইন্টেলিজেন্স সেন্টারের প্রধান জন ল্যামবার্ট সিএনএনকে বলেছেন, চলতি গ্রীষ্মে একটি আমেরিকান ফিনান্সিয়াল সার্ভিস ফার্মের ত্রুটির জবাব দেওয়ার সময় এই হ্যাকিং কার্যকলাপ ধরা পড়ে।