বৈশ্বিক দুর্নীতির ধারণা সূচকে বাংলাদেশ এক ধাপ এগিয়ে ১৩তম স্থানে অবস্থান করলেও দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকা থেকে বের হওয়া সম্ভব হয়নি। এছাড়া দুর্নীতির স্কোরের অবস্থান গত বছরের মতোই ২৬ রয়েছে।

বাংলাদেশের এই অগ্রগতিকে দুনর্নীতি দমনের ক্ষেত্রে হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেছে টান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, গত বছর স্কোরের দিক থেকে বাংলাদেশ ছিল ২৬তম। এর আগের বছরও একই স্কোর ছিল।

বার্লিনভিত্তিক দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) ১৮০টি দেশের দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই)-২০২১ প্রকাশ করে মঙ্গলবার। এরই অংশ হিসেবে এ দিন বাংলাশের দুর্নীতির ধারণা সূচক প্রকাশ করে টিআইয়ের অঙ্গ সংগঠন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে টিআইবির প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অংশের তথ্য প্রকাশ করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

সূচকে স্কেলের শূন্য স্কোরকে দুর্নীতির ব্যাপকতার ধারণায় সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত ও ১০০ স্কোর হিসেবে দুর্নীতির ব্যাপকতার ধারণার মাপকাঠিতে সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত বা সর্বোচ্চ সুশাসন প্রতিষ্ঠিত দেশ বলে ধারণা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ ধাপের হিসেবে উপরের দিক থেকে ১৪৬ থেকে ১৪৭তম হয়েছে। আর নিচের দিকের হিসেব অনুযায়ী, ১২ থেকে ১৩তম হয়েছে।

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের স্কোর বাড়েনি, কমেওনি। গত দশ বছরের হিসাবে একই পর্যায়ে আছে। টিআই এবারের সূচকে দুর্নীতি, মানবাধিকার ও গণতন্ত্র বিবেচনায় এনেছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, অবাধ দুর্নীতি, সচ্ছতা, জবাবদিহিতা না থাকা, সরকারের দুর্নীতি বিরোধী শূন্য সহিষ্ণুতার ঘোষণা বাস্তবায়ন না করা, সরকার পরিচালনার সঙ্গে জড়িতদের একটি অংশের দুর্নীতিতে জড়িয়ে যাওয়া, দুর্নীতির বিরুদ্ধে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে জড়িত না করার ব্যর্থতার কারণে এ দেশে দুর্নীতি বেড়েছে।

>> ‘সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত’ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১৩তম: টিআই