ফাইভ-জি প্রযুক্তি ব্যবহারে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে ভূমিকা রাখবে। ফাইভ-জি মানুষের যাপিত জীবনকে আরও উন্নত করবে। ফাইভ-জি প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে। এ জন্য ফাইভ-জির গুরুত্ব, কাজের পদ্ধতি, শিল্প খাত ও অটোমেশনে এই প্রযুক্তির ভূমিকা ও ব্যবহার নিয়ে জানতে হবে। গত মঙ্গলবার রাজধানীর জনতা টাওয়ার সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত 'বাংলাদেশে ফাইভ-জি :সম্ভাবনা ও সুযোগ' শীর্ষক কর্মশালায় এ কথা বলেন অপো বাংলাদেশের প্রধান (ব্র্যান্ড) লিউ ফেং।

বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরাম (বিআইজেএফ) এবং অপো যৌথভাবে তথ্যপ্রযুক্তি সাংবাদিকদের জন্য এই কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় ফাইভ-জি প্রযুক্তির কারিগরি বিভিন্ন দিকের পাশাপাশি এই প্রযুক্তি জীবনমানের ওপর কী ধরনের প্রভাব বিস্তার করবে, এ বিষয়ে আলোচনা করেন আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (এআইইউবি) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের প্রধান নাসির উদ্দিন আহমেদ। কর্মশালায় বিআইজেএফের সভাপতি মোজাহেদুল ইসলাম বলেন, 'দেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনযাত্রায় ফাইভ-জি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এ কর্মশালা থেকে পাওয়া তথ্য ভবিষ্যতে তথ্যবহুল প্রতিবেদন তৈরিতে আমাদের সহায়তা করবে।' বিআইজেএফের সাধারণ সম্পাদক হাসান জাকির বলেন, ফাইভ-জি হবে নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তি। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে ফাইভ-জি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নতুন এ শিল্পবিপ্লবে অংশ নিতে ফাইভ-জির বিকল্প নেই। কর্মশালায় অপো বাংলাদেশ গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের ব্যবস্থাপক মো. আশিকুর রহমান এবং পণ্য ব্যবস্থাপক কাজী আশিক আরাফাত অপোর ফাইভ-জি প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্টফোনের কারিগরি দিক নিয়ে আলোচনা করেন।