অস্থায়ীভাবে সব কার্যালয় বন্ধ করে দিয়েছে টুইটার। শুক্রবার কার্যালয় বন্ধের পাশাপাশি প্ল্যাটফর্মটির কর্মীদের অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে প্রবেশাধিকারও বাতিল করা হয়েছে। ফলে কর্মীরা চাইলেও বিশেষ অনুমতি ছাড়া টুইটারের অভ্যন্তরীণ কোনো প্রযুক্তি ও সেবা ব্যবহার বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। এদিকে ছাঁটাই তালিকায় থাকা কর্মীর সংখ্যা জানা না গেলেও তা কয়েক হাজার হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারের নতুন মালিক ইলন মাস্ক কর্মী চাকরিচ্যুতি প্রসঙ্গে বলেছেন, 'কোনো উপায় ছিল না। টুইটার দৈনিক চার মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি লোকসান গুনছে।' নিজের টুইটে ইলন মাস্ক বলেন, 'কাজ হারানো কর্মীদের বাড়তি তিন মাসের বেতন দেওয়া হবে। আইনে যা বলা আছে, এটি তার চেয়েও দিগুণ।' সম্প্রতি টুইটারের কর্মীরা যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে অভিযোগ করেছেন, টুইটার কর্তৃপক্ষ ফেডারেল আইন ভেঙে ৬০ দিনের নোটিশ না দিয়েই বড় ধরনের কর্মী ছাঁটাই করতে যাচ্ছে।

কোম্পানিজুড়ে অন্তত ৫০ শতাংশ কর্মীর চাকরি চলে যাচ্ছে বলে টুইটে জানিয়েছেন টুইটারের সেফটি ও ইন্টেগ্রিটি প্রধান ইওয়েল রোথ। তিনি আরও জানান, দুই হাজারের বেশি কর্মী রয়েছেন; যারা 'ফ্রন্ট-লাইন রিভিউ' করেন, তাঁদের কারও চাকরি যায়নি। ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সিলিকন ভ্যালিতে প্রধান কার্যালয় টুইটারের। শুধু অঙ্গরাজ্যটিতেই ৯৮৩ জনের চাকরি চলে যাচ্ছে। চার মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় ৪১ কোটি টাকার বেশি দিনেই লোকসান হয়ে থাকলে কেন কোম্পানিটি কিনেছেন- এমন প্রশ্নও তুলছেন অনেকে। তবে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যবসায়ী মাস্কের নিশ্চয় এ নিয়ে অভিনব কোনো পরিকল্পনা রয়েছে।