দেশ যেমন ডিজিটাল হচ্ছে তেমনি ডিজিটাল বৈষম্য বাড়ছে। ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে উঠলেও সেবা দেওয়ার মত পর্যাপ্ত কন্টেন্ট নেই। সবচেয়ে বড় অভাব প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদের। প্রযুক্তির উন্নতির পরিবর্তনের সঙ্গে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে এসব বৈষম্য দূর করতে হবে। প্রান্তিক পর্যায়ে ডিজিটাল ডিভাইস সহজলভ্য করতে হবে। প্রয়োজনে এ খাতে প্রণোদনা দিতে হবে। নীতিমালায় পরিবর্তন এনে সব স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা বাড়াতে হবে।

‘স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে করণীয়’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে মঙ্গলবার বক্তারা এসব কথা বলেন। রাজধানীর মহাখালীর ব্রাক সেন্টারে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক (টিআরএনবি) এবং মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা যৌথভাবে এই বৈঠকের আয়োজন করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদার বলেন, ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ যখন ৬-জি নিয়ে কাজ করছে তখনও আমরা ৫-জিতে যেতে পারিনি। স্মার্ট বাংলাদেশে গড়তে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্প খাতের মধ্যে পারস্পারিক সহযোগিতা বাড়তে হবে।’

টিআরএনবি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক সমীর কুমার দে’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মঞ্জুর হোসেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন এটুআই-এর চিফ ই-গভর্ন্যান্স স্ট্র্যাটেজিস্ট ফরহাদ জাহিদ শেখ, মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন এমটবের মহাসচিব এস এম ফরহাদ, জিএসএমএ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের মোবাইল ফর ডেভেলপমেন্ট পরিচালক রাহুল সাহা, রবি’র চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম, বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার  তাইমুর রহমান, টেলিটকের মহাব্যবস্থাপক নুরুল মাবুদ চৌধুরী, নগদের চিফ বিজনেস অফিসার শেখ আমিনুর রহমান, টিআরএনবির সাধারণ সম্পাদক এসএম মাসুদুজ্জামান রবিন প্রমুখ।