ঢাকা রবিবার, ১৯ মে ২০২৪

গুগল প্লে সিকিউরিটি ব্যাজ স্বীকৃতি

গুগল প্লে সিকিউরিটি ব্যাজ স্বীকৃতি

ছবি: সংগৃহীত

 আইসিটি ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ মে ২০২৪ | ০৭:৪৪

নির্ভরযোগ্য অ্যাপ হিসেবে গুগল প্লেতে সিকিউরিটি ব্যাজ পাওয়ার মাধ্যমে স্বীকৃতি পেয়েছে ইমো। সুরক্ষা ও গোপনীয়তার বৈশ্বিক মানদণ্ড নিশ্চিত করার ফলে স্বীকৃতি পেয়েছে অ্যাপটি। নিবন্ধিতদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিতে ইমো নিয়মিত কাজ করছে।

সিকিউরিটি ব্যাজের মাধ্যমে ডেটা সেফটি বিভাগে প্লে স্টোরের নিরাপদ ও সুরক্ষিত সব অ্যাপ প্রদর্শন করে গুগল। ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপের এ বিভাগে অন্য কোনো অ্যাপ প্রদর্শন করছে না গুগল। সুরক্ষা ও গোপনীয়তা নিশ্চিতে ইমো নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠছে। নিবন্ধিতদের জন্য প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি দুই ক্ষেত্রেই গুরুত্বারোপ করছে অ্যাপটি। নিবন্ধিতদের সামনে আসে স্বাধীনভাবে যাচাই করা গুগল প্লের ‘ডেটা সেফটি’ বিভাগের ইন্ডিপেনডেন্ট সিকিউরিটি রিভিউ। অ্যাপ নিরাপত্তায় গ্রহণযোগ্য মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত মাসায় (মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন সিকিউরিটি অ্যাসেসমেন্ট) ইমো উত্তীর্ণ হয়। অথরাইজড ল্যাব সহযোগীদের মাধ্যমে গুগল অ্যাপটিকে স্বাধীনভাবে যাচাই করায়। গুগল প্লের সিকিউরিটি ব্যাজের অর্থই হচ্ছে অ্যাপের দুর্বলতা চিহ্নিত করা, তা কমিয়ে আনা ও বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে ইমো নিজেকে যাচাই করে নিতে সক্রিয়।

ইমো মেসেঞ্জারের বিজনেস ডিরেক্টর মেহরান কবির বলেন, ব্যাজ (গুগল) স্বীকৃতি নিবন্ধিতদের প্রাইভেসি ও সিকিউরিটিতে বাড়তি স্বস্তি দেবে। ডিজিটাল স্পেসে সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিনিয়তই কাজ করছি। ঠিক এ কারণেই নিরাপত্তায় স্বীকৃতি পেয়ে উচ্ছ্বসিত। নিবন্ধিতদের জন্য নিত্যনতুন ফিচার উদ্ভাবন ও যোগাযোগ অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধকরণে ভবিষ্যতেও মানোন্নয়ন ধারা অব্যাহত থাকবে।

নিবন্ধিতদের জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও নিরাপদ গোপনীয়তা নিশ্চিতে অ্যাপ কর্তৃপক্ষ আগের তুলনায় তৎপর। ফলে গুগল প্লের সিকিউরিটি ব্যাজ পেয়েছে অ্যাপটি। মাল্টিডিভাইস ম্যানেজমেন্ট, টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন ও ফ্যামিলি গার্ড– নিরাপত্তা ফিচারের সঙ্গে পাসকিজ ও সিম বাইন্ডিংয়ের মতো সর্বাধুনিক ফিচার সেবা দেবে। নিরাপদ ডিজিটাল স্পেস তৈরিতে অ্যাপ কর্তৃপক্ষ আগের তুলনায় বেশি তৎপর। 

ইনভিজিবল ফ্রেন্ডস, প্রাইভেসি চ্যাট মোড ও ব্লক স্ক্রিনশট ফর কলসের মতো সর্বাধুনিক প্রাইভেসি সব ফিচার অ্যাপে নিবন্ধিতদের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর নিশ্চিত করে। গোপনীয়তা নিশ্চিত করা ছাড়াও এসব ফিচার একই সঙ্গে সাইবার বুলিং ও সাইবার ক্রাইমের মতো অপরাধ কমিয়ে নিরাপদ যোগাযোগ পরিবেশ তৈরি করে।

আরও পড়ুন

×