বিপর্যস্ত নেটওয়ার্ক চালু করার উপায়

প্রকাশ: ১০ জুন ২০১৪

বিপর্যস্ত নেটওয়ার্ক চালু করার উপায়

বিপর্যস্ত এলাকায় টাওয়ার খারাপ হয়ে গেলে বেসস্টেশন জানিয়ে দেয়, নেটওয়ার্কে গণ্ডগোল হচ্ছে। কপার সেই খবর পেয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেরামতির প্রোগ্রাম চালু করে দেয়। পরীক্ষায় দেখানো হচ্ছে, কপার খারাপ হয়ে যাওয়া নেটওয়ার্ক কীভাবে আবার চালু করে।

মাঝে-মধ্যেই মোবাইল ফোন সাড়া দেয় না। পর্দায় নেটওয়ার্কের দেখা মেলে না। কিন্তু এটা তো সত্যি বন্যা, ঘূর্ণিঝড় বা ভূমিকম্পের মতো বিপর্যয়ে মোবাইল সংযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। গত বছরের নভেম্বরে ফিলিপাইন্সে হাইয়ান্থ ঘূর্ণিঝড়ের ফলে অবকাঠামো বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নম্ন হয়ে যাওয়ায় এমনকি ইমার্জেন্সি কল করাও সম্ভব ছিল না।
ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে টোবিয়াস সিমন ঠিক এমন পরিস্থিতিতে তার কোয়াড্রোকপার দিয়ে প্রাথমিক সাহায্য নিশ্চিত করতে চান। ইলমেনাউ শহরের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি তার টিমের সঙ্গে এমন সব হেলিকপ্টারের মডেল তৈরি করছেন, যেগুলো খারাপ হয়ে যাওয়া ওয়্যারলেস যোগাযোগ মেরামত করতে পারে। তারা নিজেরাই মোবাইল টাওয়ারে ত্রুটি খুঁজে বের করে কাজ সারতে পারে। টোবিয়াস বলেন, বিপর্যস্ত এলাকায় আমাদের যন্ত্র দিয়ে অনেক কিছু করা সম্ভব। একদিকে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার কাজ, অর্থাৎ মোবাইল নেটওয়ার্ক পয়েন্টের খোঁজ করা। তারপর পরিসেবায় ফাঁক থাকলে তা ভরাট করা। নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা ও মেরামত করার কাজও রয়েছে।
এই লক্ষ্যে টোবিয়াস ও তার টিম কপারে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক বসিয়েছেন, যা মোবাইল নেটওয়ার্কের ঠিক আগের পর্যায়। তাছাড়া কপারকে এমনভাবে প্রোগ্রাম করা হয়েছে, যাতে কখন আকাশে উড়ে নেটওয়ার্কের মেরামতির কাজ করবে, তা সে নিজেই স্থির করতে পারে। তিনি বলেন, কোয়াড্রোকপারের বিশেষত্ব হলো, তার পুরোটাই লিনাক্স সিস্টেমের ভিত্তিতে তৈরি। যন্ত্রের স্থিতিশীলতা, নেভিগেশন থেকে শুরু করে একাধিক কপারের মধ্যে সমন্বয়ের কাজ সবকিছু কেন্দ্রীয়ভাবে করা হয়। এর মধ্যে অবশ্য যোগাযোগের বিষয়টাও রয়েছে।
প্রবাহ ডেস্ক